Sonia Gandhi

খামেনেই হত্যাকাণ্ডে মৌন কেন মোদি? কাশ্মীর মনে করিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন সোনিয়া

কংগ্রেস নেত্রীর বক্তব্য, অতীতে কাশ্মীর নিয়ে ভারতের স্বার্থরক্ষায় ইরান সহায়ক ভূমিকা নিয়েছিল। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির অবস্থান ও নীরবতা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৬, ১১:৩০

options
link
খামেনেই হত্যাকাণ্ডে মৌন কেন মোদি? কাশ্মীর মনে করিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন সোনিয়া
খামেনেইয়ের হত্যার ঘটনায় চুপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের হত্যার ঘটনায় চুপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদির এই মৌনতাকেই হাতিয়ার করলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। কাশ্মীর মনে করিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন তিনি।

Advertisement

সোনিয়া বলেন, “১৯৯৪ সালে মুসলিম দেশগুলির জোট ‘ওআইসি’ (Organisation of Islamic Cooperation) রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশনে কাশ্মীর নিয়ে ভারত-বিরোধী প্রস্তাব উত্থাপন করে। কিন্তু সেই সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা আটকে দেয় বন্ধু ইরান।” সোনিয়ার দাবি, তেহরানের এই হস্তক্ষেপের ফলে সংবেদনশীল সময়ে কাশ্মীরকে একটা সমস্যায় পরিণত করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তিনি বলেন, “সেই সময়ে ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রাথমিক পর্যায় চলছিল। আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হলে দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান আরও জটিল হয়ে উঠতে পারত।” কংগ্রেস নেত্রীর বক্তব্য, অতীতে কাশ্মীর নিয়ে ভারতের স্বার্থরক্ষায় ইরান সহায়ক ভূমিকা নিয়েছিল। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির অবস্থান ও নীরবতা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

Advertisement

সোনিয়া আরও বলেন, “বর্তমান সরকারের মনে রাখা উচিত, ২০০১ সালের এপ্রিলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী তেহরান সফরের সময় ইরানের সঙ্গে ভারতের গভীর সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। বাজপেয়ীর সেই স্বীকৃতি বর্তমান সরকারের কাছে প্রাসঙ্গিক নয় বলেই মনে হচ্ছে।” তাঁর সংযোজন, “খামেনেইয়ের মৃত্যুতে মোদি সরকারের নিশ্চুপ থাকার কৌশল নিরপেক্ষতার বার্তা বহন করে না। বরং তারা তাদের দায়িত্ব থেকে পিছু হটছে। এটি ভারতের বিদেশনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তোলে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে ওঠা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। সোমবার এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ফের দিল্লির অবস্থায় স্পষ্ট করেছেন মোদি। তিনি বলেন, “ভারত বরাবর আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রক্রিয়ায় আগ্রহী। দ্বন্দ্বের চেয়ে শান্তির শক্তি বেশি।” পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশের আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে খামেনেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তিনি কোনও বাক্য খরচ করেননি। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন সোনিয়া।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.