Sonia Gandhi

‘নিজে পরীক্ষা পে চর্চা করেন, অথচ এখন চুপ!’ NEET নিয়ে মোদিকে বিঁধলেন সোনিয়া

ডেপুটি স্পিকার প্রসঙ্গেও বিজেপিকে আক্রমণ কংগ্রেস নেত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৪, ১৩:১৭

options
link
‘নিজে পরীক্ষা পে চর্চা করেন, অথচ এখন চুপ!’ NEET নিয়ে মোদিকে বিঁধলেন সোনিয়া

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডেপুটি স্পিকার ও নিট ইস্যু নিয়ে এনডিএ সরকার ও বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের সংঘর্ষ জারি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি ও রাজ্যসভার সাংসদ সোনিয়া গান্ধী আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তাঁর কথায়, মোদি মুখে সকলের সম্মতির কথা বললেও আসলে তিনি সংঘর্ষকেই গুরুত্ব দেন।

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান নেত্রী বলেছেন, ”প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এমন করছেন যেন কিছুই বদলায়নি। উনি সকলের সঙ্গে সহমত হয়ে চলার উপদেশ দেন। কিন্তু আসলে সংঘর্ষকেই গুরুত্ব দেন। অষ্টাদশ লোকসভার প্রথম কয়েকটা দিন দুঃখজনকভাবেই উৎসাহব্যাঞ্জক নয়। কোনও পরিবর্তিত মনোভাব দেখতে পাওয়ার আশা ধ্বংস হয়ে গেছে।” তাঁর মতে, এবারের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলকে মানতে চাইছেন না প্রধানমন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ১৫ মিনিটে পুড়ে খাক! রংয়ের দাহ্য তরলে ভয়াবহ রূপ নেয় হলং বাংলোর আগুন?]

সেই সঙ্গে ডেপুটি স্পিকার প্রসঙ্গে সোনিয়ার (Sonia Gandhi) মন্তব্য, ”পরম্পরা মানলে ডেপুটি স্পিকারের পদ বিরোধীদের মধ্যেই কারও পাওয়া উচিত। এটা একেবারেই ন্যায্য দাবি। কিন্তু সরকার সেই দাবিকে খারিজ করে দিয়েছে। সপ্তদশ লোকসভাতেও ডেপুটি স্পিকারের পদে কাউকে নিয়োগ করা হয়নি।” এদিকে নিট বিতর্ক প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ”প্রধানমন্ত্রী যিনি নিজে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ করেন, তিনি পেপার লিক নিয়ে একেবারে চুপ করে রয়েছেন।”

Advertisement

পাশাপাশি এমার্জেন্সি প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যেভাবে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, তারও সমালোচনা করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে সংবিধানের উপরে আক্রমণ থেকে মনোযোগ সরানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী এই ইস্যুটি টেনে আনছেন। এমনকী স্পিকারও যেভাবে এই প্রসঙ্গ তুলেছেন তাকে ‘আশ্চর্যজনক’ বলে ব্যাখ্যা করে সোনিয়ার মন্তব্য, ”ওঁর অবস্থান কোনও রাজনৈতিক পক্ষে না গিয়ে কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।” সেই সঙ্গেই কংগ্রেস (Congress) নেত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চ মাসে হাত শিবিরকে হারতে হয়েছিল। দেশের জনগণ জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে স্পষ্ট রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু তিন বছরেরও কম সময়ে সেই পরাজিত দলটিই ফিরে এসেছিল।

[আরও পড়ুন: বার্বাডোজে বিশ্বকাপ ফাইনাল, একনজরে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তি-দুর্বলতা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.