লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার আগুন লাগার পর ‘জুতুগৃহে’ পরিণত হয় ভবনটি। প্রাণ বাঁচাতে একতলা থেকে লাফ মারেন অনেকে। কিন্তু অনেকেই সেন্টারটির ভিতরে আটকে পড়েন। সেই মরণফাঁদে পড়ে এক ছাত্রের আর্তনাদ – “বাবা আমাকে বাঁচাও”। মৃত্যুর আগে করুণ কণ্ঠে এটাই তাঁর শেষ কথা ছিল।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রের নাম মহম্মদ শাহজাহান। তিনি বারাবাঙ্কির ফতেপুর শহরের বাসিন্দা ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পর অনেকের মতো তিনিও ভবনটিতে আটকে পড়েন। জীবনের শেষ মুহূর্তে ‘জতুগৃহে’র ভিতর থেকেই বাবাকে ফোন করেছিলেন শাহজাহান। “বাবা আমাকে বাঁচাও”- ছেলের কাতর আর্জি শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন তিনি। কিন্তু ততক্ষণে আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে গিয়েছে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। ছেলেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও বিশেষ কিছুই করতে পারেননি। কারণ, আগুনের লেলিহান শিখা তাঁর পথ আটকে রেখেছিল। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে শাহজাহানের পরিবার। শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন তাঁর মা।
অগ্নিকাণ্ডের (Lucknow Fire Accident) পর ঘটনাস্থলের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। একজন বলেন, “ভবনটির ভিতর থেকে সমবেত চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। বহু মানুষ সেখানে আটকে পড়েছিলেন। প্রাণ বাঁচাতে অনেক পড়ুয়া শৌচালয়ে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। অনেকে আবার জানলা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।” আরও এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, “এক যুবক কোচিং সেন্টারের জানলা ভেঙে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। কিন্তু হাত ফসকে সোজা তিনি নিচে পড়ে যান। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের