Lucknow Fire Accident

‘বাবা বাঁচাও’, লখনউয়ের ‘জতুগৃহে’ শেষ আর্তনাদ ছাত্রের, ভয়ংকর অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষদর্শীদের

সরকারি নথি অনুযায়ী, এটা একসময় ছিল বসতবাড়ি। পরে বেআইনিভাবে তা বাণিজ্যিক ভবনে পরিণত করা হয়। তদন্তে আরও জানা যাচ্ছে, ২০১৬ সালে এই অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ২ মাসের মধ্যেই সেই নির্দেশ বদলে দেওয়া হয়। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৪:৪৩

options
link
‘বাবা বাঁচাও’, লখনউয়ের ‘জতুগৃহে’ শেষ আর্তনাদ ছাত্রের, ভয়ংকর অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষদর্শীদের
লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার আগুন লাগার পর ‘জুতুগৃহে’ পরিণত হয় ভবনটি। প্রাণ বাঁচাতে একতলা থেকে লাফ মারেন অনেকে। কিন্তু অনেকেই সেন্টারটির ভিতরে আটকে পড়েন। সেই মরণফাঁদে পড়ে এক ছাত্রের আর্তনাদ – “বাবা আমাকে বাঁচাও”। মৃত্যুর আগে করুণ কণ্ঠে এটাই তাঁর শেষ কথা ছিল।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রের নাম মহম্মদ শাহজাহান। তিনি বারাবাঙ্কির ফতেপুর শহরের বাসিন্দা ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পর অনেকের মতো তিনিও ভবনটিতে আটকে পড়েন। জীবনের শেষ মুহূর্তে ‘জতুগৃহে’র ভিতর থেকেই বাবাকে ফোন করেছিলেন শাহজাহান। “বাবা আমাকে বাঁচাও”- ছেলের কাতর আর্জি শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন তিনি। কিন্তু ততক্ষণে আগুনের তীব্রতা আরও বেড়ে গিয়েছে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। ছেলেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করলেও বিশেষ কিছুই করতে পারেননি। কারণ, আগুনের লেলিহান শিখা তাঁর পথ আটকে রেখেছিল। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে শাহজাহানের পরিবার। শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন তাঁর মা।

Advertisement

অগ্নিকাণ্ডের (Lucknow Fire Accident) পর ঘটনাস্থলের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। একজন বলেন, “ভবনটির ভিতর থেকে সমবেত চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। বহু মানুষ সেখানে আটকে পড়েছিলেন। প্রাণ বাঁচাতে অনেক পড়ুয়া শৌচালয়ে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। অনেকে আবার জানলা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।” আরও এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, “এক যুবক কোচিং সেন্টারের জানলা ভেঙে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। কিন্তু হাত ফসকে সোজা তিনি নিচে পড়ে যান। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.