সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাটার চিকেন, ডাল মাখানি৷ আমিষ-নিরামিষের এই দুই নামেই নিহিত স্বর্গীয় স্বাদের অনুভূতি৷ স্থান-কাল নির্বিশেষে বেশিরভাগই একমত হবেন এই দুই খাদ্যের বিশেষ স্বাদ গুণে৷ কিন্তু, কখনও ভেবেছেন কি? কে শুরু করল এই স্বাদের দুই বিপ্লবের? কেনই বা হল এর সূত্রপাত? কোথা থেকেই বা পাতপেড়ে মন জুড়ে বসল এই দুই প্রিয় পদ?
সব প্রশ্নের উত্তর উঠে আসে একটাই নাম৷ কুন্দনলাল গুজরাল৷ যার হাত ধরে ভারতবর্ষের মাটিতে আসে এই দুই পদ৷ ঘটনার সূত্রপাত হয় দেশভাগের পর৷ ১৯৫০ সালে যখন সদ্য জন্ম হওয়া পাকিস্তান থেকে দিল্লির দরিয়াগঞ্জে এসে উঠেছিলেন কুন্দনলাল৷ প্রথমে ‘মোতি মহল’ নামে দোকান খুলে তন্দুরি খাবারের ব্যবসা শুরু করেছিলেন৷ কিন্তু, খোলা জায়গায় রাখা তন্দুরি খুব তাড়াতাড়িই শুকনো হয়ে যায়৷ কী করা যায়? শেষে মাথা খাটিয়ে এক উপায় বার করলেন কুন্দনলাল৷ তন্দুরি চিকেনের সঙ্গে গ্রেভি মিশিয়ে তৈরি করলেন নতুন পদ, বাটার চিকেন৷ শুরু হল হেঁসেলের ইতিহাসের নতুন অধ্যায়৷
ডাল মাখানি অবশ্য তিনি তৈরি করেননি৷ উইকিপিডিয়া অনুসারে, তা করেছিলেন সর্দার সিং নামে এক ব্যক্তি৷ কিন্তু, বাটার চিকেনের জনপ্রিয়তার পর নিরামিশাষিদের জন্যও এমন কোনও স্বাদের বিপ্লব খুঁজছিলেন কুন্দনলাল৷ তাঁর সেই খোঁজই তাঁকে নিয়ে যায় ডাল মাখানির দরবারে৷ ভারতে এই পদের জনপ্রিয়তার নেপথ্যের কারিগর তিনিই৷
শুধু আমাদের পাতেই নয় বাটার চিকেন ও ডাল মাখানিকে জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধী থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন, কেনেডির পাতেও পৌঁছেছেন কুন্দনলাল৷ আজও সেই পরম্পরা বজায় রয়েছে মোতি মহলের উত্তরসূরিদের মাধ্যমে৷

সর্বশেষ খবর
-
তিন বছর পর দেশে আইপিএল নিলাম, কোন শহরে জানিয়ে দিল বিসিসিআই
-
হাঁটুর বয়সি নায়িকার সঙ্গে মামাশ্বশুর গোবিন্দার প্রেম! ‘ঘরভাঙানিদের তোল্লাই দেবেন না’, খোঁচা কাশ্মীরার
-
চাই গম্ভীরের উত্তরসূরি! এবার ঋষভদের কোচিং করাবেন লক্ষ্মীরতন, জাতীয় দলে ডাক আসবে?
-
এক ভাইপোকে সরিয়ে আরেক ভাইপোকে গুরুদায়িত্ব, মায়াবতী বলছেন, ‘এটা তো পরিবারতন্ত্র নয়’
-
টেস্টকে বাড়তি গুরুত্ব, বিশ্বকাপের আগে ‘অর্ধেক ফিট’ ক্রিকেটার চান না গম্ভীর