Harish Rana

‘সকলকে ক্ষমা করো’, নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের শেষ বিদায়ের চোখে জল আনা ভিডিও ভাইরাল

নিষ্কৃতিমৃত্যুর জন্য ইতিমধ্যেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৫-৬ জন চিকিৎসককে নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি বিশেষ দল। চিকিৎসকদের তরফে জানানো হয়েছে, হরিশের মৃত্যুর প্রক্রিয়া গোপনে সম্পন্ন করা হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৬, ১৪:১৯

options
link
‘সকলকে ক্ষমা করো’, নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথে হরিশের শেষ বিদায়ের চোখে জল আনা ভিডিও ভাইরাল
হরিশের শেষ বিদায়ের ছবি।

জীবন্মৃত হয়ে দীর্ঘ ১৩ বছর যন্ত্রণা ভোগ করার পর অবশেষে চিরঘুমের দেশে যাচ্ছেন হরিশ রানা (Harish Rana)। তাঁর নিষ্কৃতিমৃত্যুর আর্জি মঞ্জুর হওয়ার পর শুরু হয়েছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। জীবনকে চিরতরে বিদায় জানানোর আগে হরিশের শেষ বিদায়ের চোখে জল আনা এক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, এক মহিলা হরিশের মাথায় হাত বুলিয়ে বলছেন, ‘সকলকে ক্ষমা করো হরিশ।’

Advertisement

জানা যাচ্ছে, হরিশকে চিরবিদায় জানাতে ইতিমধ্যেই নিয়ে আসা হয়েছে গাজিয়াবাদের এইমস হাসপাতালে। হরিশের আইনজীবী বলেন, নিষ্কৃতিমৃত্যুর জন্য ইতিমধ্যেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৫-৬ জন চিকিৎসককে নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি বিশেষ দল। চিকিৎসকদের তরফে জানানো হয়েছে, হরিশের মৃত্যুর প্রক্রিয়া গোপনে সম্পন্ন করা হবে। তাছাড়া এই প্রক্রিয়া প্রকাশ করার কোনও আবশ্যিকতাও নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক দিদি হরিশের কপালে টিকা লাগিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। সঙ্গে বলছেন, “সকলকে ক্ষমা করো হরিশ। সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নাও। এখন যাও ঠিক আছে।”

এই পরিস্থিতিতে জীবন থেকে নিষ্কৃতি পেতে চলা হরিশের শেষ মুহূর্তের একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ২২ সেকেন্ডের সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত আধ্যাত্মিক সংগঠন ‘ব্রহ্মকুমারী’র সদস্যারা হরিশের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। তাঁদেরই এক দিদি হরিশের কপালে টিকা লাগিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। সঙ্গে বলছেন, “সকলকে ক্ষমা করো হরিশ। সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নাও। এখন যাও ঠিক আছে।” দেখা যাচ্ছে, হরিশের মাথায় তিনি যখন হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন তাঁর ঠোঁট কাঁপছে। মহিলার মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তিনি।”

Advertisement

উল্লেখ্য, হরিশ রানা পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ২০১৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়েরই পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন। এর পর থেকেই তিনি কোমাতে রয়েছেন। চিকিৎসকদের সমস্ত রিপোর্ট বিস্তারিত পরীক্ষা করার পর সম্প্রতি আদালত হরিশের ‘লাইফ সাপোর্ট’ খুলে ফেলে তাঁকে নিষ্কৃতি মৃত্যু দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে। চিকিৎসকেরা আগেই জানিয়েছিলেন, হরিশের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। তার পরে ওই যুবকের অভিভাবকেরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানেই ঐতিহাসিক রায় দেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ।

এদিন হরিশকে তার গাজিয়াবাদের বাড়ি থেকে এইমস-এ নিয়ে যাওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর বাবা-মা এবং ভাই-সহ সেখানে উপস্থিত সকলেই। ছেলেকে বিদায় জানিয়ে হরিশের বাবা অশোক পরিবারের সকল সদস্যের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেন, “অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমাদের বাধ্য হয়েই এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.