Farm Bill 2020

কী এই কৃষি বিল? কেনই বা এই বিলের বিরোধিতা করছেন কৃষকরা? জানুন বিস্তারিত

কেন্দ্রের দাবি, এই বিল পাশ হলে দু'বছরের মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০, ১৭:১৪

options
link
কী এই কৃষি বিল? কেনই বা এই বিলের বিরোধিতা করছেন কৃষকরা? জানুন বিস্তারিত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) পাশ হয়ে গিয়েছে বিতর্কিত দুটি নতুন কৃষি বিল (Farm Bill 2020)। বিরোধীদের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও সংখ্যাধিক্যের কারণে বিলটি পাশ করিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি। এই বিলকে কেন্দ্র করে হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও তেলেঙ্গানায় কৃষকরা বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেছেন। দেখে নেওয়া যাক কী এই কৃষি বিল এবং কেন সেটি নিয়ে কৃষকরা অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ।

Advertisement

কেন্দ্র তিনটি কৃষি বিল পেশ করেছে। এই বিলগুলি হল ‘অত্যাবশ্যক পণ্য আইন’ সংশোধন, ‘কৃষি পণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন’ এবং ‘কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত রাখতে কৃষকদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন চুক্তি’ বিল। তিনটি বিলই লোকসভায় পাশ হয়ে গিয়েছে। রবিবার রাজ্যসভায় যে দু’টি বিল পাশ হল সেগুলি হল ‘কৃষিপণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন’ এবং ‘কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত রাখতে কৃষকদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন চুক্তি’ বিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু উন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের ৯০ শতাংশই খরচ করেনি যোগী সরকার, শুরু বিতর্ক]

কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, এই বিলগুলির ফলে কৃষকদের রোজগার বাড়বে এবং কৃষিক্ষেত্রের উন্নতি হবে। এর ফলে ২০২২ সালের মধ্যেই কৃষকদের উপার্জন দ্বিগুণ হবে বলেও দাবি সরকারের। সরকার আরও জানিয়েছে, এই বিলগুলি সরকার নিয়ন্ত্রিত বাজারের নিয়ন্ত্রণ থেকে কৃষকদের মুক্ত করবে এবং কৃষকরা তাঁদের কৃষি পণ্যের জন্য আরও বেশি দাম পাবেন। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: সম্মিলিত চেষ্টাতেও আটকাতে পারল না বিরোধীরা, রাজ্যসভায় পাশ জোড়া কৃষি বিল]

এই বিলের প্রস্তাব হল এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা যেখানে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা পণ্য কেনাবেচা করতে পারবেন মান্ডির বাইরেই। পাশাপাশি আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে এবং পরিবহন খরচ কমানোর প্রস্তাবও করা হয়েছে বিলে। সর্বোপরি এই বিলের উদ্দেশ্য কৃষকদের কৃষি-বাণিজ্য সংস্থা, রফতানিকারী এবং খুচরো পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত করা। এবং কৃষকদের কাছে আধুনিক প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া। এছাড়াও পাঁচ হেক্টরের কম পরিমাণ জমির কৃষকদের কাছেও লাভের পরিমাণ বাড়ানোর উদ্দেশ্য রয়েছে এই বিলগুলির।

কৃষকরা তাদের উৎপাদনের জন্য ন্যূনতম সহায়তা মূল্য পাওয়ার বিষয়ে শঙ্কিত। কৃষকদের ধারণা, এই বিল পাশ হওয়ার ফলে বাজার থেকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ সরে যাবে। সরকার ধীরে ধীরে ন্যূনতম সমর্থন মুল্যে ফসল কেনা বন্ধ করে দেবে। ফলে কৃষকদের পুঁজিপতিদের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে। পাশাপাশি কৃষি-বাণিজ্য ও বড় খুচরো ব্যবসায়ীরা কৃষকদের উপরে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে এই বিষয়েও উদ্বেগ রয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের আতঙ্ক রয়েছে সংস্থাগুলি কৃষি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করা শুরু করে দিতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.