Ahmedabad Plane Crash

বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পার, আহমেদাবাদ কাণ্ডের চূড়ান্ত রিপোর্ট কবে? বড় ঘোষণা মন্ত্রীর

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে তদন্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনও তাড়াহুড়ো করা হবে না। চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশের আগে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সমস্ত নিয়মকানুন মেনে চলা হবে।” 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০২৬, ১৮:১৫

options
link
বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পার, আহমেদাবাদ কাণ্ডের চূড়ান্ত রিপোর্ট কবে? বড় ঘোষণা মন্ত্রীর
আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পার। ফাইল ছবি।

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পার। কিন্তু দুর্ঘটনার আসল কারণ নিয়ে এখনও রয়েছে ধোঁয়াশা। চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট কবে আসবে, তা নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু।

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে তদন্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনও তাড়াহুড়ো করা হবে না। চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশের আগে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সমস্ত নিয়মকানুন মেনে চলা হবে।” এটিকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত’ বলে অভিহিত করে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী বলেন, “তদন্তে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যত দ্রুত সম্ভব এই তদন্ত সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। আমরা কোনও ধাপ বাদ দিতে পারি না। তাড়াহুড়োও করতে পারি না।” তাঁর সংযোজন, “তদন্তটি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শীঘ্রই চূড়ান্ত রিপোর্ট হাতে আসবে।” 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, দুর্ঘটনার (Ahmedabad Plane Crash) পর একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। আর তাতে ককপিটে দুই বিমান চালকের মধ্যে দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে কী কী কথা হয়েছিল, তার রেকর্ডিং প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে শোনা গিয়েছে ক্যাপটেন সুমিত সবরওয়াল এবং ফার্স্ট অফিসার ক্লাইভ কুন্দরের গলা। এক জন অন্য জনকে ভয়ার্ত কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করছেন, “কেন জ্বালানির সুইচ বন্ধ করে দিলে?”, উত্তরে অন্য জন জানাচ্ছেন, “আমি কিছু বন্ধ করিনি।” সেই দুই কণ্ঠস্বরের মধ্যে কোনটি কার, তা বোঝা যায়নি। তবে ককপিটে পাইলটদের সাধারণ অবস্থান বিবেচনা করে অনেকেরই অভিমত, সুইচ বন্ধের কথা বলা হয়েছিল ক্যাপ্টেন সুমিতকেই। এদিকে এই নিয়ে অভিযোগ উঠতে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন সুমিতের বাবা। তাঁর দাবি ছিল, দুর্ঘটনার স্বাধীন, নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু অকারণে তাঁর মৃত পুত্রের মানহানির চেষ্টা চলছে।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.