রাজস্থান নয়, মহারাষ্ট্র। এই মুহূর্তে গরমের লড়াইয়ে আরবসাগরের তীরের রাজ্য পিছনে ফেলেছে মরুরাজ্যকে। দেশের এই মুহূর্তে সবচেয়ে উত্তপ্ত স্থান মহারাষ্ট্রের আকোলা। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপরই সেরাজ্যের অমরাবতী। সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা রাজস্থানের বহু অঞ্চলের থেকে বেশি। সাধারণত বার্মেরের তাপমাত্রাই বেশি থাকে। এবার রাজস্থানকে পিছনে ফেলে দিয়েছে মহারাষ্ট্র।
আরও পড়ুন:
গোটা দেশের হিসেবে, বহু অঞ্চলেই তাপমাত্রা পেরিয়ে গিয়েছে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেটা অবশ্য বছরের এই সময়ের নিরিখেই স্বাভাবিক। কিন্তু এর মধ্যেই চমকে দিচ্ছে রাজস্থানের মরু অঞ্চলকে মহারাষ্ট্রের সমভূমির পিছনে ফেলা। কিন্তু কেন এমন হল? এর নেপথ্যে জলবায়ুর কোন ‘খেলা’? আসলে পূর্ব মহারাষ্ট্রের বিদর্ভের আকোলা, অমরাবতীর মতো এলাকায় বেশির ভাগ সময়ই আকাশ থাকছে পরিষ্কার। সামান্য মেঘ থাকলেও তা যথেষ্ট নয়। যে গরম পড়ছে এখানে, শুষ্ক। অথচ রাজস্থানের বহু এলাকায় সামান্য ভেজা বাতাস থাকায় পারদ ততদূর উপরে উঠছে না। আর সেই কারণেই মহারাষ্ট্রের তাপমাত্রা বেশি থাকছে। মরুরাজ্যের বাসিন্দারা অপেক্ষাকৃত স্বস্তিতে থাকছেন।
এই মুহূর্তে গোটা দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই চলছে গরমের দুরন্ত ব্যাটিং! মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকেই চড়তে শুরু করেছে পারদ। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত স্বাভাবিকের থেকে বেশি তাপমাত্রা থাকবে বলেই আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। এই সপ্তাহে ভারতজুড়েই দাপাবে গরম। এমনকী কোনও কোনও এলাকায় বর্তমান তাপমাত্রার চেয়েও বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে।
ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে যে, আগামী দিনগুলোতে দেশের বড় একটা অংশ তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে পড়তে চলেছে। তবে শীঘ্রই স্বস্তির কথাও শুনিয়েছে হাওয়া অফিস। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৮ থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে একাধিক ‘পশ্চিমী ঝঞ্ঝার’ প্রভাবে উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে ধূলিঝড়, বজ্রপাত এবং বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ