বাঁদর ধরলেই আর্থিক পুরস্কার দেবে মহারাষ্ট্র সরকার। তবে শাখামৃগকে আহত করা চলবে না। খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে সে এসে পড়লে তাকে নিরাপদে খাঁচাবন্দি করে ছেড়ে আসতে হবে গভীর বনাঞ্চলে। তবেই মিলবে ওই পুরস্কার।
গত ২২ এপ্রিল একটি যৌথ নির্দেশিকা জারি করেছে মহারাষ্ট্রের অর্থ ও বন দপ্তর। সেখানে কোনও ব্যক্তি যদি বাঁদর উদ্ধার করে নিরাপদে বন্যপ্রাণীটির পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে, তবে ৬০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, উত্তর ও মধ্যভারতের রাজ্যগুলিতে লোকালয়ে বাঁদরের উপদ্রব একটা বড় সমস্যা। জঙ্গলে খাবারের অভাবে লোকালয়ে উচ্ছিষ্ট খেতে ঢুকে পড়ে বাঁদরের দল। এর ফলে একদিকে যেমন প্রাণীটির কামড়, আঁচড়ের ভয়ে অতিষ্ট সাধারণ মানুষ। বিশেষত আক্রান্ত শিশুরা। অন্যদিকে আতঙ্কে ও বিরক্তিতে বাঁদর পিটিয়ে মারার ঘটনাও দেখা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই কারণেই প্রাণীটিকে নিরাপদে পাকড়াও করলে আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।
কোন পদ্ধতিতে বাঁদর ধরা হবে, তাও জানিয়েছে দুই দপ্তর। নির্দশিকায় বলা হয়েছে, প্রাণীটি যেন শারীরিক আঘাত না পায় এভাবেই জাল অথবা খাঁচার ব্যবহার করতে হবে। গোটা প্রক্রিয়াটিকে ভিডিও বন্দি করতে হবে। বাঁদরটিকে ছেড়ে আসতে হবে জনবসতি এলাকা থেকে অন্তত ১০ কিলোমিটার দুরের কোনও বনাঞ্চলে। সরকার মনে করছে, এই পদক্ষেপটি জননিরাপত্তা ও সংরক্ষণে ভারসাম্য আনবে। যদিও বন্যপ্রাণীর আবাসভূমি বনাঞ্চলে ক্রমশ ধ্বংস হচ্ছে। মানব সভ্যতার তার কারণ। এই কঠিন চ্যালেঞ্জের সমাধান জানা নেই করো।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাড়ি দখলের মামলায় বাবার পক্ষে রায়, আদালত থেকে ফেরার পথে বৃদ্ধকে কুপিয়ে খুন ‘গুণধর’ ছেলের!
-
নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেছে বিজেপি সরকার, প্রাণভয়ে বন্দুক নিয়ে ঘুরছেন বিজেপি সাংসদ
-
ফাইনালে উঠবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, চ্যাম্পিয়ন কে? বিশ্বকাপে নামার আগে ভবিষ্যদ্বাণী মার্টিনেজের
-
উল্কার গতিতে উত্থান, বালি-কয়লা পাচার করে বিরাট সাম্রাজ্যের মালিক! অবশেষে জালে যুধিষ্ঠির
-
সল্টলেকের পর সৈকত শহর! সরল পুরনো দিঘায় ১ নম্বর বিশ্ববাংলা গেটের ‘ব’ লোগো