Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Supreme Court

লিভ-ইনে সন্তানের জন্ম, তারপরই প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ মহিলার, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

বিচারপতি নির্দেশনামায় বলেছেন, "আজকাল এই ধরনের প্রশ্ন তুললেই সেটাকে ভিকটিম শেমিং বলা হয়।" এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট ওই মহিলার প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে বলেছে, "অভিযোগকারী মহিলা চাইলে সন্তানের ভরণপোষণের জন্য মামলা করতে পারেন। তবে সম্পর্ক ভাঙার জন্য ধর্ষণের মামলার করা যায় না।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১৪:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১৪:২৭

options
link
লিভ-ইনে সন্তানের জন্ম, তারপরই প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ মহিলার, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট? zoom
লিভ ইন নিয়ে পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। ফাইল ছবি।

কোনও প্রেম বা লিভ-ইন সম্পর্ক বেরিয়ে যাওয়া মানেই সেটা অপরাধ হতে পারে না। লিভ-ইন সম্পর্কে ধর্ষণের মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। বিচারপতি বিভি নাগরত্ন বললেন, বিয়ের আইনি বাধ্যবাধকতা নেই এমন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু সহজাত ঝুঁকিও থাকে। সম্মতিক্রমে গড়ে ওঠা লিভ-ইন সম্পর্ক এবং অপরাধমূলক যৌন হেনস্তার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

সম্প্রতি একটি মামলায় এক মহিলা নিজের লিভ ইন সঙ্গীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, শারীরিক লাঞ্ছনা এবং শোষণের অভিযোগ এনেছেন। মহিলার অভিযোগ ছিল, তাঁর প্রেমিক বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেছিলেন কিন্তু পরে সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে চলে যান। ওই সম্পর্কে থাকাকালীন একটি সন্তানও হয় তাঁদের। ওই মহিলার দাবি, তিনি শোষিত এবং লাঞ্ছিত হয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু মামলার শুনানিতে বিচারপতি নাগরত্ন প্রশ্ন তুললেন, “এটি একটি লিভ-ইন সম্পর্ক। বিয়ের আগেই ওই মহিলা ওই ব্যক্তির সঙ্গে সন্তান ধারণ করেছিলেন। আর এখন তিনি ধর্ষণের অভিযোগ তুলছেন। এটা কী হচ্ছে?” বিচারপতির প্রশ্ন, দু’পক্ষের সম্মতিতে হওয়া যৌনতাকে কীভাবে ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করা যায়? বিচারপতি নির্দেশনামায় বলেছেন, “আজকাল এই ধরনের প্রশ্ন তুললেই সেটাকে ভিকটিম শেমিং বলা হয়।” আদালতের পর্যবেক্ষণ, “বহু লিভ ইন সম্পর্কে এমন হয়। বছরের পর বছর তাঁরা একসঙ্গে থাকে। তারপর বিচ্ছেদ হলেই মহিলারা পুরুষসঙ্গীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। কিন্তু ভুললে চলবে না, এ সবকিছুই বিয়ের আগের সম্পর্কের সহজাত ঝুঁকি।”

তবে এই মামলার আরও একটা দিক আছে। মামলাকারী মহিলা বিধবা। লিভ-ইন সম্পর্কে যাওয়ার আগে তিনি জানতেনই না যে তাঁর পুরুষসঙ্গীর আরও চারজন স্ত্রী রয়েছেন। এসব জানার পর শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তোলে, এত কিছু জানার পর কেন ওই পুরুষসঙ্গীর সঙ্গে সন্তানধারণের সিদ্ধান্ত নিলেন মহিলা? এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট ওই মহিলার প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে বলেছে, “অভিযোগকারী মহিলা চাইলে সন্তানের ভরণপোষণের জন্য মামলা করতে পারেন। তবে সম্পর্ক ভাঙার জন্য ধর্ষণের মামলার করা যায় না।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.