যা যা মতপার্থক্য রয়েছে সদর্থক আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেব। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ভারতের মাটিতে পা রাখার আগেই ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বে বার্তা চিনের। সোশাল মিডিয়ায় চিনের রাষ্ট্রদূত জু ফেইহংয়ের বার্তা, রাষ্ট্রপ্রধানদের পরামর্শ মেনে দুই প্রতিবেশী দেশ কৌশলগত এবং সুদূরপ্রসারী সুসম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাবে।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘ অনিশ্চয়তা, দড়ি টানাটানি পেরিয়ে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যে ভারতে আসছেন, সেটাও নিশ্চিত করে দিয়েছেন চিনের রাষ্ট্রদূত। শনিবারই সপারিষদ দিল্লিতে পা রাখবেন তিনি। তাঁর সফর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য যে বিরাট সাফল্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে জিনপিংয়ের সফরের আগে যেভাবে চিনের তরফে বন্ধুত্বের বার্তা এল সেটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। চিনা রাষ্ট্রদূতের সোশাল মিডিয়া বার্তা, “চিন এবং ভারত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে চলেছে। এই নিয়ে পরপর ৩ বছর দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে বৈঠক হতে চলেছে। কাজান ও তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এই দুই নেতার মধ্যে এটি টানা তৃতীয়বারের সাক্ষাৎ।”
China and India are arranging for the bilateral meeting between President Xi and Prime Minister Modi.
AdvertisementThis will be the third year in a row for the two leaders to meet with each other, following their meetings in Kazan and Tianjin.
China will work with India to act on the… pic.twitter.com/jD3GeZpjZk
— Xu Feihong (@China_Amb_India) September 11, 2026
চিনা রাষ্ট্রদূতের বার্তা, “দুই নেতার কৌশলগত নির্দেশে চিন-ভারত ঐক্যবদ্ধভাবে সম্পর্কের উন্নতির চেষ্টা করবে। কৌশলগত ও দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পরিচালনা, সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আমরা ভালো প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পরস্পরের সাফল্যে সাহায্যকারী অংশীদার হিসেবে কাজ করব।” শেষবার জিনপিং ভারতে এসেছিলেন ২০১৯ সালে। তারপর দু’দেশের সম্পর্ক বহু ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। গালওয়ানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ডোকলামে দু’দেশের দোলাচল, অরুণাচল নিয়ে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে চিনের এই বন্ধুত্বের বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
জিনপিংয়ের এই সফর বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের জন্য মোটেই সুখের নয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তানের ভরসায় টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল বাংলাদেশ। পরে সেই পাকিস্তান বিশ্বকাপে যোগ দেয়। দেশে বসে হাত কচলাতে দেখা যায় বাংলাদেশকে। কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও এবার ঘটল একই ঘটনা। শি জিনপিং ভারতে যাবেন না ধরে নিয়ে ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়নি বাংলাদেশকে। স্পষ্টভাবে না জানালেও বাংলাদেশের বার্তায় স্পষ্ট ছিল ব্রিকসে তারা যোগ দেবে না। এখন যে চিনের ভরসায় তারেক ব্রিকস বয়কট করলেন, সেই জিনপিং নিজেই আসছেন ভারত। যার ফল, আম ও ছালা দুই খোয়াতে হল ঢাকাকে। তাছাড়া ভারতের মাটিতে ব্রিকসের এই মেগা সম্মেলনের পাশাপাশি মোদি-জিনপিংয়ের বৈঠকের দিকে নজর রাখবে ওয়াশিংটনও। ভারত এবং চিন যদি পারস্পারিক সমস্যা মিটিতে ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে দক্ষিণ সেটা আমেরিকের জন্যও খুব সুখকর পরিস্থিতি হবে না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
উদয়পুর-তালসারির বনাঞ্চলে ওরাংওটাং উদ্ধারে দিঘা যোগ, হোটেল থেকে আটক ৩
-
‘বিগ বস বাংলা’য় দ্বিতীয় ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি জীতু কমল, ‘রোমিও’ রাজবীর কি এবার চ্যালেঞ্জের মুখে?
-
বাঁকুড়া পুলিশের নেতৃত্বে ঝাড়খণ্ডে মাওবাদীদের ‘ডেরা’য় যৌথ অভিযান, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র-গুলি
-
আফগান সিরিজের আগে অনুশীলনে চোট ঈশানের! ‘ছুটি’ অভিষেকের, চিন্তা বাড়াল বৈভবও
-
জোড়াফুল তুমি কার? কমিশনে মমতা ও ঋতব্রত শিবির