একপেশে ম্যাচে দাদার দিল্লিকে দুরমুশ করে ফের ফাইনালে ধোনির চেন্নাই

রবিবারের লড়াইটা আরও একবার হবে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সফলতম দুই দলের মধ্যে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৯, ২৩:১২

options
link
একপেশে ম্যাচে দাদার দিল্লিকে দুরমুশ করে ফের ফাইনালে ধোনির চেন্নাই

দিল্লি ক্যাপিটালস: ১৪৭/৯ (মুনরো-২৭, পন্থ-৩৮)
চেন্নাই সুপার কিংস: ১৫১/৪ (ডুপ্লেসি-৫০, ওয়াটসন-৫০)
৬ উইকেটে জয়ী চেন্নাই সুপার কিংস

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথমেই বলে রাখা যাক যে এবারের আইপিএল কোনও নতুন চ্যাম্পিয়নকে পাবে না। কারণ রবিবারের লড়াইটা আরও একবার হবে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সফলতম দুই দলের মধ্যেই। চতুর্থবার ফাইনালে মুখোমুখি হবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংস। যে দুই দলের নেতা ধোনি ও রোহিতের কাছে ইতিমধ্যেই তিনটি করে ট্রফি রয়েছে। এবার ফেরা যাক আজকের ম্যাচে। হায়দরাবাদ বনাম দিল্লির পর আরও একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখার অপেক্ষায় ছিল বিশাখাপত্তনম। কিন্তু কোথায় কী। তরুণ শ্রেয়স বাহিনীকে যেন ফুৎকারে উড়িয়ে দিল চেন্নাই। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ড গেম’ ছবির বিশালায়তন থ্যানোস যেমন তুড়ি মেরে অর্ধেক পৃথিবী ফাঁকা করে দিচ্ছিল, ঠিক তেমন করেই আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দিল্লিকে ভ্যানিশ করে দিলেন ডুপ্লেসি-ওয়াটসনরা। চ্যাম্পিয়নের মতোই বুক চিতিয়ে আরও একবার কুড়ি-বিশের টুর্নামেন্টের ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছে গেলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কোহলিকে নিয়ে মশকরা করার ফল, নেটদুনিয়ায় কটাক্ষের শিকার ভাজ্জি]

CSK

Advertisement

বিশাখাপত্তনমের এই পিচে যদি ১৬০ রানের মধ্যে দিল্লিকে বেঁধে ফেলা যায়, তবে জয় কার্যত হাতের মুঠোয়। এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেই রেখেছিলেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। বাস্তবের বাইশ গজে যা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেল। মুম্বইকে হারিয়ে সরাসরি ফাইনালে পৌঁছতে না পারার জ্বালাটা যেন এদিন দিল্লিকে দুরমুশ করেই মেটাল চেন্নাই। ধোনির মগজাস্ত্র আর দলের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সেই এল সহজ জয়। চাহার, হরভজন, জাদেজা, ব্রাভোদের ঝোড়ো বলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে দিল্লির ব্যাটিং লাইন আপ। চার বোলারই দুটি করে উইকেট তুলে নেন। ঋষভ পন্থ খানিকটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন ঠিকই। কিন্তু বিপক্ষে যখন
প্রতিনিয়ত ধোনি অঙ্ক কষতে থাকেন আর অভিজ্ঞ মুখগুলো ব্যাটসম্যানকে আউট করার ফন্দি আঁটে, তখন চাপ মুক্ত হয়ে খেলাটা নিঃসন্দেহে কঠিন হয়ে পড়ে। তরুণ পন্থও সে চাপ সামলাতে পারেননি। ফলে বড় রানের ইনিংসে আর পৌঁছনো হয়নি দিল্লির।

একেতেই স্কোরবোর্ডে এত কম রান। তার উপর দুই ওপেনার ওয়াটসন ও ফ্যাফ ডুপ্লেসি যেভাবে ক্রিজে জাঁকিয়ে বসলেন, তাতেই ম্যাচ একপেশে হয়ে গেল। ট্রেন্ট বোল্ট, ইশান্ত শর্মাদের ধুয়ে দিয়ে হাফ-সেঞ্চুরি করে মাঠ ছাড়েন দুই তারকা। তবে সবচেয়ে খারাপ বোলিং কিমো পলের। তিন ওভারে ৪৯ রান দেন তিনি। কিন্তু বিধ্বংসী ধোনিকে দেখার ইচ্ছা এদিন পূরণ হল না দর্শকদের। ন’রানেই আউট তিনি।

শুক্ররাতে ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমানের কাছে হার মানতে হল ভবিষ্যৎকে। তবে গোটা টুর্নামেন্টে দিল্লির লড়াই নিঃসন্দেহে মনে রাখবেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। 

[আরও পড়ুন: ‘মহিলা ক্রিকেটাররা বিশ্রী’, পাক যুবকের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ আইসিসি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.