সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘গোলি মারো’ স্লোগানের সমর্থন করে ফের বিতর্কে জড়ালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বিতর্কিত এই স্লোগান তোলায় ৩ বিজেপি কর্মীর গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গে তাঁর সাফাই, ‘গুলি তো চালায়নি।’ পাশাপাশি, এদিন তিনি আবারও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েদিলেন সরকার বিরোধী কাজ করলে, দেশের সম্পত্তি নষ্ট করলে প্রয়োজনে গুলি চলবেই। যদিও ‘গোলি মারো’ স্লোগান দল কখনই সমর্থন করে না বলেই জানিয়েছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।
ইতিমধ্যেই দিল্লি থেকে কলকাতার রাজপথেও পৌঁছে গিয়েছে বিতর্কিত ‘গোলি মারো’ স্লোগান। রবিবার সকালে অমিত শাহের(Amit Shah) সভায় যাওয়ার পথে এই স্লোগান তোলায় গ্রেপ্তার করা হয় তিন বিজেপি কর্মীকে। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। কেন শহরের বুকে পতাকা হাতে স্লোগানের মাধ্যমে একপ্রকার হুমকি দিয়ে গেলেন বিজেপি কর্মীরা? এতে দলের ভূমিকাই বা কী? প্রশ্ন করা হলে ধৃত বিজেপি কর্মীদের পাশেই দাঁড়ালেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সাফ জানিয়ে দিলেন তাঁর নির্দেশেই এই স্লোগান তুলেছেন কর্মীরা। এই স্লোগানে আপত্তির কোনও জায়গা নেই বলেই দাবি তাঁর। কারণ, স্লোগান উঠলেও গুলি তো চলেনি! পাশাপাশি, দিল্লি হিংসা প্রসঙ্গে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, “যারা পুলিশকে পাথর মারছে, গুলি করছে তাদের কি ডেকে চা খাওয়ানো উচিত ছিল? যা হচ্ছে ঠিক হচ্ছে।” তাঁর কথায়, কেউ সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে তাদের এভাবেই আক্রমণ করা হবে। প্রয়োজনে সত্যিই গুলি চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
[আরও পড়ুন: এবার তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর! জোর জল্পনা বঙ্গ রাজনীতিতে]
তবে ‘গোলি মারো’ স্লোগান কখনই সমর্থন যোগ্য নয় বলেই দাবি বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্যের। এমনকী দলও এহেন আচরণ সমর্থন করে না বলেই জানান তিনি। দলের শীর্ষ স্থানীয় দুই নেতার ভিন্ন মতামতে স্পষ্ট গেরুয়া শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্ব, দাবি সমালোচকদের।
[আরও পড়ুন: ‘আপনার নাকের ডগায় দিল্লিতে ৫০ জনের প্রাণ গেল কীভাবে’, অমিতকে বিঁধলেন অভিষেক]
সর্বশেষ খবর
-
হিন্দু পাত্রের সঙ্গে বাগদান ইদার, মেয়ে জামাইয়ের ছবি শেয়ার করে সুখবর দিলেন ইমতিয়াজ
-
জেলেই ভোট কাটবে নন্দীগ্রামের কং প্রার্থীর, ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজত মিলন প্রধানের
-
জন্মসালের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতায় গরমিল! হাসিরানির হলফনামা নিয়ে হাই কোর্টে মামলা কংগ্রেসের
-
সম্পদ সৃষ্টির থেকে সম্পদ বণ্টন, কীভাবে বদলে যাচ্ছে অবসর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা
-
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে লক্ষ্মীবারে কলকাতায় গৌতম আদানি, বাংলায় বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা