সাম্য আর ন্যায়ের মন্ত্রে আরও একবার উজ্জীবিত হল কলকাতার আয়কর ভবন। ভারতের সংবিধানের প্রধান স্থপতি ডঃ বি.আর. আম্বেদকরের ১৩৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মঙ্গলবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল চৌরঙ্গী সংলগ্ন এই সরকারি দফতরে। মাল্যদান, পুষ্পার্ঘ্য আর দৃপ্ত সংকল্পের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হল বাবাসাহেবকে।
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানের শুরুতেই আম্বেদকরের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন দফতরের আধিকারিক ও কর্মীরা। উপস্থিত ছিলেন আইটি সেবা (ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিট)-এর সাধারণ সম্পাদক সুদীপ মজুমদার এবং সহ-সভাপতি অনুপম মজুমদার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। ফুলেল শ্রদ্ধার পাশাপাশি উঠে আসে তাঁর জীবনদর্শনের নানা প্রাসঙ্গিক দিক।
সুদীপবাবু তাঁর বক্তব্যে আম্বেদকরের বহুমুখী প্রতিভার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাবাসাহেব কেবল একজন শ্রেষ্ঠ আইনজ্ঞ ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক যুগান্তকারী সমাজ সংস্কারক। মানবাধিকারের পক্ষে তাঁর লড়াই আজও বিশ্বের কাছে বিস্ময়। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়েও তাঁর চিন্তা ও আদর্শ সমাজের প্রতিটি স্তরে সমানভাবে প্রযোজ্য। শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে তিনি যে পথের দিশা দেখিয়ে গিয়েছেন, নতুন প্রজন্মকে তা আজও অনুপ্রাণিত করে।
অন্যদিকে, অনুপম মজুমদার স্মরণানুষ্ঠানের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানান, আম্বেদকরকে শ্রদ্ধা জানানোর অর্থ হল তাঁর আদর্শকে নিজেদের কাজের মধ্যে প্রতিফলিত করা। সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়িত করাই হোক আজকের অঙ্গীকার। কর্মকর্তাদের কথায় স্পষ্ট হয় যে, আম্বেদকরের লড়াই কেবল একটি বিশেষ সময়ের জন্য ছিল না, বরং তা চিরকালীন। ছোট ছোট বক্তব্যে এ দিন কর্মীদের মনে সামাজিক ন্যায় ও মানবিক মর্যাদার বোধ জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। সব মিলিয়ে এক আন্তরিক পরিবেশের মধ্য দিয়ে পালিত হল এই বিশেষ দিনটি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
হাতে আর ৯ ম্যাচ, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের জন্য কী অঙ্ক গিল-গম্ভীরের টিম ইন্ডিয়ার?
-
জাতির উদ্দেশে ভাষণের আগে বাজল ‘বন্দে মাতরম’, রাষ্ট্রপতির মুখেও ‘বিভাজন বিভীষিকা’!
-
থেঁতলে গিয়েছে খুলি, সাঁকরাইলে বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যু! ঝোপের ধারে লাশ দেখে থ পুলিশও
-
ভারতীয় বায়ুসেনার অসামান্য বীরগাথা ‘অপারেশন সফেদ সাগর’, পড়ুন রিভিউ
-
শ্রুতি হাসানের মতো বিড়ালে অ্যালার্জি? এই লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন