স্বাধীনতা যতটা আনন্দের, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে অখণ্ড দেশকে বিভাজিত হতে দেখাটা তার চেয়ে বেশি যন্ত্রণার। আজ, ১৪ আগস্ট দেশজুড়ে ‘বিভাজন বিভীষিকা’ স্মরণ দিবস। নোয়াখালির হত্যাকাণ্ড, ‘দ্য গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’- হিন্দু নিধনের রক্তাক্ত ইতিহাস যেন আজও দলা পাকিয়ে গলার কাছে। ‘বিভাজন বিভীষিকা’ স্মরণ দিবসে ছিন্নমূলের সেই যন্ত্রণার কথাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বাধীনতার প্রাক্কালে হিন্দু গণহত্যার অন্ধকার দিনের কথা উঠে এলে দেশের প্রশাসনিক প্রধানের ভাষণেও। জাতির উদ্দেশে ভাষণে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, “১৪ আগস্ট বিভাজন বিভীষিকা দিবস। দেশভাগের যন্ত্রণা লক্ষ লক্ষ মানুষ সহ্য করেছেন। তবুও তারা নিজেদের শিকড় ভোলেলনি। প্রতিষ্ঠা তথা সমতা সংবিধান। মানুষের কথা শুনতে হবে। কেউ যেন ন্যায় থেকে বঞ্চিত না থাকেন।”
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট। অখণ্ড ভারতবর্ষকে বিভক্ত করা হয়। এই ভূখণ্ড ভাগের ইতিহাসের পাতায় পাতায় আত্মবলিদানের ছাপ। ভয়ঙ্কর ইতিহাসের সাক্ষী এই দিনটিকে ভারতে বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এদিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুরুর আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রথমবার বাজল ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram)। তারপর জাতীয় সঙ্গীত ‘জন-গণ-মন’-এর পর ভাষণ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
প্রসঙ্গত, দেশে ‘বন্দে মাতরম’ স্বীকৃতি নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। বিজেপির দাবি, ‘বন্দে মাতরম’ ছিল ব্রিটিশ ভারতে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মূল মন্ত্র। বঙ্কিমচন্দ্রের রচনাই সে সময় হয়ে উঠেছিল সংগ্রামের মূল হাতিয়ার। যদিও বিরোধী এবং সমালোচকদের একাংশ দাবি করেন, ‘বন্দে মাতরম’কে স্বীকৃতি দিতে গিয়ে রবি ঠাকুরকে আড়াল করা হচ্ছে। দেশে হিন্দু জাতীয়তাবাদী প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই আবহে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সূচনায় ‘বন্দে মাতরম’ গান, বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা