দেশজুড়ে ব্যাংক ধর্মঘটে গ্রাহকদের ভোগান্তি, ব্যাহত এটিএম পরিষেবাও

টানা ছয় দিনে মাঝে মাত্র একদিন ২৪ ডিসেম্বর ব্যাংক খোলা থাকবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৮, ১৪:২৪

options
link
দেশজুড়ে ব্যাংক ধর্মঘটে গ্রাহকদের ভোগান্তি, ব্যাহত এটিএম পরিষেবাও

দীপঙ্কর মণ্ডল: ব্যাংক ধর্মঘটের জেরে এটিএম পরিষেবাও ব্যাহত হল। শুক্রবার দেশজুড়ে শুরু হয়েছে এই ধর্মঘট। টানা ছয় দিনে মাঝে মাত্র একদিন ২৪ ডিসেম্বর ব্যাংক খোলা থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীদের বেতনের সঙ্গে ব্যাংককর্মীদের বেতন বৈষম্য, ঋণখেলাপিদের টাকা উদ্ধার এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আঞ্চলিক ব্যাংকের সংযুক্তিকরণের প্রতিবাদে দেশব্যাপী ধর্মঘট ডেকেছে ‘‌অল ইন্ডিয়া ব্যাংক অফিসার্স কনফেডারেশন ও ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাংক ইউনিয়ন (ইউএফবিই)’‌।‌

Advertisement

২৬ ডিসেম্বরও ব্যাংক ধর্মঘট হবে গোটা দেশে। থাকছে অফিসার্স কনফেডারেশন-সহ ৯টি সংগঠনের সংযুক্ত মোর্চা। দেশের ব্যাংক কর্মচারী সংগঠনগুলি সমবেত ভাবে (ইউএফবিএউ) একাদশতম বেতন সংস্কারের দাবিতে বন্‌ধের ডাক দিয়েছে। ২১ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার বন্‌ধ, ২২ ডিসেম্বর মাসের চতুর্থ শনিবার ও রবিবার সরকারি ছুটি। আবার মঙ্গলবার বড়দিনের ছুটি। ফের বুধবার অর্থাৎ ২৬ তারিখ বন্‌ধ পালন করবেন ব্যাংক কর্মচারীরা। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে নাজেহাল হতে হবে দেশবাসীকে। গ্রাহকদের কথা ভেবে মাঝে সোমবার ব্যাংক খোলা থাকলেও সেদিন ভিড়ে দুর্ভোগ চরমে ওঠার আশঙ্কায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ। ব্যাংক কর্মচারী সংগঠনগুলির তরফে দাবি করা হয়েছে, এই ধর্মঘটে শামিল হবেন প্রায় তিন লক্ষ ২০ হাজার অফিসার। ২০১৭ সালের মে মাসে এই বিষয়ে প্রথম দাবি পেশ করা হলেও গত ১৯ মাসে এই বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়নি বলেও অভিযোগ। কনফেডারেশনের সম্পাদক সঞ্জয় দাস কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে এই অভিযোগ করেন। এটিএম পরিষেবা ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত নয়। তবে এটিএম পরিষেবাতেও ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[দেশের যে কোনও কম্পিউটারে নজর রাখবে শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলি, নির্দেশিকা কেন্দ্রের]

Advertisement

কনফেডারেশনের অভিযোগ, ব্যাংকের অফিসার, কর্মীরা ছুটি পান না। পেনশন খারাপ। অফিসারদের ওপর চাপ আসছে। কয়েকজন আত্মহত্যাও করেছেন। ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে অনেকে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকতায় যোগ দিচ্ছেন। কারণ এখন শিক্ষকদের বেতন বেশি। টাকা উদ্ধারে গিয়ে অফিসাররা নিরাপত্তার অভাববোধ করছেন। মহিলা অফিসারদেরও নিরাপত্তা নেই। ১২ লক্ষ ব্যাংক কর্মচারী এই দুদিনের ধর্মঘটে শামিল হচ্ছেন। গোটা দেশে ৮০ কোটি গ্রাহক আছেন। ১০ লক্ষ কোটি টাকা ঋণের বোঝা। সবথেকে বেশি ঋণ নিয়েছে ১২ জন শিল্পপতি। কনফেডেরেশনের তরফে জানানো হয়েছে, গত চার বছরে ঋণের জালিয়াতিতে ব্যাংকগুলির প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। বিজয় মালিয়া, নীরব মোদি, মেহুল চোকসির মতো প্রতারকরা এখনও বিচারের সম্মুখীন হননি। বিজয়া ব্যাংক, দেনা ব্যাংক ও ব্যাংক অফ বরোদার সংযুক্তিকরণ করার চেষ্টা চলছে। যা সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী।‌

[রথযাত্রার সম্ভাব্য দিন চূড়ান্ত, ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের অপেক্ষায় বঙ্গ বিজেপি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন