ডেঙ্গু নিধনে একাই লড়ছে রাজ্য, বকেয়া চেয়ে দিল্লিকে চিঠি নবান্নের

৩ বছরে এক পয়সাও কেন্দ্র দেয়নি বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২১, ০৯:৪৯

options
link
ডেঙ্গু নিধনে একাই লড়ছে রাজ্য, বকেয়া চেয়ে দিল্লিকে চিঠি নবান্নের

স্টাফ রিপোর্টার: ডেঙ্গু (Dengue) নিধনে একাই লড়ছে রাজ্য। ন্যাশনাল ভেক্টর বোর্ন ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রাম থেকে ফি-বছর আর্থিক সাহায্য পাওয়ার কথা থাকলেও গত তিন বছরে কানাকড়িও পায়নি। তাই ফের টাকা চেয়ে দিল্লিতে চিঠি দিয়েছে নবান্ন। শুধুমাত্র ডেঙ্গু নিধনে ফি-বছর রাজ্যের কোষাগার থেকে কম করে ৭০০ কোটি টাকা খরচ হয়। এই অর্থের প্রায় অর্ধেক খরচ কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়ার কথা। বরাদ্দ অর্থের একটা বড় অংশ যায় পুরসভা ও পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি বাড়ি নজরদারি চালাতে। বাকি টাকা খরচ হয় ডেঙ্গুর কিট কিনতে। যদি গত তিন বছরে কলকাতা-সহ রাজ্যের ২৭টি স্বাস্থ্যজেলাতেই ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটাই কম। কিন্তু এই বছর বৃষ্টি যেহেতু বেশি হবে, তাই ডেঙ্গু বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে স্বাস্থ্য দপ্তরের ভেক্টর কন্ট্রোল বিভাগ।

Advertisement

তথ্য বলছে, ২০১৯ সালে রাজ্যে সর্বাধিক ডেঙ্গুর প্রকোপ হয়। আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭,৯২৮। মৃত্যু হয় ২৫ জনের। এমন অবস্থায় তদানীন্তন মুখ্যসচিব ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পুর ও নগরোন্নয়ন, পঞ্চায়েত, সেচ এবং স্বাস্থ্য দফতরকে নিয়ে একটি কমিটি গড়ে দেন তদানীন্তন মুখ্যসচিব। লাগাতার বছরভর কাজ চলে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জমা জল নষ্ট করা এবং নিকাশি নালা পরিষ্কার করা, গাপিপি মাছ ছাড়া, এবং সচেতনতা প্রচার হয়। পরের বছর বিস্ময়করভাবে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কমে যায়। ২০২০ সালে মোট আক্রান্ত ৪,১৯৫ জন। মৃত্যু হয়, ১০ জনের। আর চলতি বছরের ১৬ জুন পর্যন্ত রাজ্যে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২৩৪। কারণ একটাই লাগাতার প্রচার ও নজরদারি। ডেঙ্গুর মশা ও মশার লার্ভা নষ্ট করতে নিবিড় প্রচার চলছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রাজ্যের ৪ ঐতিহ্যশালী প্রতিষ্ঠান সরানোর পরিকল্পনা! প্রতিবাদে কেন্দ্রকে চিঠি অমিত মিত্রর]

তবে আশঙ্কা রয়েই গেছে। কারণ, বৃষ্টি (Rain) সবে শুরু। আর ডেঙ্গুর প্রকোপ নভেম্বর ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে। তাই বকেয়া টাকা পেলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আরও জোরদার কর্মসূচি হাতে নেওয়া সম্ভব। তাই জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন প্রকল্পে গত তিন বছরে এই খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে তার সব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর। নগরোন্নয়ন দপ্তর ইতিমধ্যেই প্রায় ৫৬ হাজার কর্মী নিয়োগ করেছে বাড়ি বাড়ি নজরদারির জন্য। কলকাতা বাদে রাজ্যের ১২০টি পুরসভাকে এই কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া কীটনাশক ছড়াতে প্রায় ৭ হাজার কর্মী নিয়োগ হয়েছে। অস্থায়ীভাবে এঁরা কাজ করছেন। নগরোন্নয়ন দপ্তর সূত্রে খবর, দিনে ১৭৫টাকা ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়াও ডেঙ্গুর কিটের দাম বেড়েছে। এখন খোলাবাজারে কিটের দাম গড়ে ৯০০ টাকা। সব জেলা ও ব্লক হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হচ্ছে। এই বিশাল খরচ সামাল দিতেই কেন্দ্রকে বকেয়া অর্থ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার দাবি জানাল স্বাস্থ্য দফতর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জমা জলে মাছ ধরতে যাওয়াই কাল! বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু পাটুলির যুবকের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.