মুকুন্দপুরে ধুন্ধুমার। সংঘর্ষে জড়াল বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস (TMC BJP Clash) (মমতাপন্থী)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পার্টি অফিসকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত। দুই পক্ষের তরফ থেকেই ওঠে চোর চোর স্লোগান। শুরু হয় প্রবল ডিমবৃষ্টি। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ।
মূলত পার্টি অফিস দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ সংঘর্ষ জড়ায়। এদিন মুকুন্দপুরের (Mukundapur) ওই পার্টি অফিসের সামনে জড়ো হন মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মীরা। সেই মিছিলে হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। পালটা হামলার অভিযোগ তোলে বিজেপিও। এই নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন কালীঘাট তৃণমূল নেতারা। তৃণমূলের মিছিল লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইট, ডিম। দুপক্ষের স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ধস্তাধস্তিতে জখম হন বেশ কয়েকজন।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কালীঘাট তৃণমূল ছাত্র নেত্রী উপাসনা চৌধুরি। তাঁর অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় তাঁদের মিছিলে হামলা চালিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। দলের মহিলা কর্মীদের রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে। ইট পাটকেল, ডিম ছোড়া হয়েছে। এমনকী লাঠি দিয়েও মারধর করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী জখম হয়েছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে তাঁদের উপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ কালীঘাট তৃণমূলের।
যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের পালটা অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় দলের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। তৃণমূলের কর্মসূচির ভিডিওগ্রাফি করছিলেন দলের এক কর্মী। তা দেখেই চটে যান তৃণমূল কর্মীরা। সেই কর্মীর উপর চড়াও হন। এর পরেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের