আত্মঘাতী

মানসিক চাপে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী মহিলা, গ্রেপ্তার স্বামী

আত্মহত্যা রোধের পরামর্শদাতা ছিলেন ওই মহিলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০১৯, ০৮:১৮

options
link
মানসিক চাপে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী মহিলা, গ্রেপ্তার স্বামী

অর্ণব আইচ: মানসিক চাপ যতই হোক, ভেঙে পড়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিও না। প্রত্যেককে এই পরামর্শই দিতেন অলোকপর্ণা মিত্র। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেই বেছে নিলেন আত্মহত্যার পথ।দক্ষিণ কলকাতার বাইপাস লাগোয়া ফ্ল্যাটের ভিতর গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হলেন মহিলা। 

Advertisement

মানসিক সমস্যা থেকে মানুষকে দূরে রাখার পরামর্শ দিতেন আলোকপর্ণা মিত্র। যুক্ত ছিলেন একটি বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে। দক্ষিণ কলকাতার বাইপাস লাগোয়া একটি অভিজাত আবাসনের ফ্ল্যাটে থাকতেন তিনি।তাঁর ভাইয়ের অভিযোগ, আলোকপর্ণা মিত্রের আত্মহত্যার পিছনে ভূমিকা রয়েছে তাঁর স্বামীর। ইতিমধ্যেই মৃতার ভাই অর্ণব মজুমদারের অভিযোগের ভিত্তিতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ওই মহিলার স্বামী শৌমিক মিত্রকে গ্রেপ্তার করেছে সার্ভে পার্ক থানার পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৬ নভেম্বর অলোকপর্ণা মিত্রকে তাঁর ফ্ল্যাটের সোফায় অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর ২৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ বাথরুমের ভিতর থেকে একটি বোতল উদ্ধার করে। অনুমান করা হয়, ওই বোতলে থাকা কেরোসিন তেল ঢেলেই আত্মঘাতী হয়েছেন আলোকপর্ণাদেবী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রোগীকে কম খাবার দিয়ে বাকিটা বাইরে বিক্রি! প্রকাশ্যে মেডিক্যাল কলেজের দুর্নীতি]

এরপরই মৃতার ভাই অর্ণব মজুমদার অভিযোগ জানান, তাঁর দিদির উপর ক্রমাগত অত্যাচার চালাতেন জামাইবাবু শৌমিক। মদের উপর প্রবল আসক্তি ছিল ওই ব্যক্তির। সম্প্রতি বিশেষ কোনও কাজ করতেন না। মদ্যপ অবস্থায় নিয়মিত স্ত্রীর উপর চালাতেন। তা মেনে নিতে পারেননি অলোকপর্ণা। গত কয়েক মাসে  অত্যাচারের মাত্রা চরম আকার ধারণ করে। কিন্তু সমস্যার কথা কাউকে জানাতে পারেননি ওই মহিলা। আর সেই কারণেই এই পরিণতি।

অর্ণব মজুমদারের অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন জামাইবাবু তাঁকে ভাবলেশহীনভাবে রাত পৌনে ন’টা নাগাদ ফোন করে ঘটনাটি জানান। প্রথমে অভিযুক্ত শৌমিক জানান, ঘটনার সময় তিনি নিজের শোওয়ার ঘরে ল্যাপটপে কাজ করছিলেন। আবার পরের দিন বক্তব্য পালটে বলেন, নিচে সিগারেট কিনতে গিয়েছিলেন। একবার জানান, তাঁর স্ত্রীকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় সোফার উপর দেখতে পান তিনি। পরে জানান, গায়ে আগুন লাগা অবস্থায় ফ্ল্যাটের ডাইনিং রুমে তাঁকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ঠিক কী হয়েছিল ওইদিন ? ধৃতকে জেরা করে সেই তথ্য জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.