কৌটো নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতেন নেতারা। নির্বাচনী অর্থ সংগ্রহ হোক বা অন্য কিছু, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেই কৌটোতে টাকা সংগ্রহ করতেন সিপিএম নেতা-কর্মীরা। বাম জমানায় প্রায়শই এই ছবি ধরা পড়ত। তৃণমূল জমানাতেও সেই ঘটনা দেখা গিয়েছে। ডিজিটাল সময়ে এবার সেই পথ থেকে কি কিছুটা সরে এল সিপিএম? উপনির্বাচনে আর্থিক সাহায্য চেয়ে এবার সামাজিক মাধ্যমে আবেদন করলেন সিপিএম নেতৃত্ব। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম নিজের সামাজিক মাধ্যমে এই বার্তা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। দুই কেন্দ্রেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে। প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন। প্রচারও করছেন ভোট ময়দানে। ভোটে লড়া-প্রচারের জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়। সেই অর্থের জোগানেী সামাজিক মাধ্যমে হাত পেতে সাহায্য চাইল সিপিএম। প্রচারের সাহায্যে নির্বাচনী তহবিলে অর্থদান করে সাধ্যমতো সাহায্যের আবেদন জানালেন মহম্মদ সেলিম। অনলাইনে টাকা পাঠানোর জন্য কিউআর কোডও স্ক্যানের জন্য দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুকে সেলিম লিখেছেন, ‘আসন্ন রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রচারের সাহায্যে নির্বাচনী তহবিলে অর্থদান করে সাধ্যমতো সাহায্য করুন।’ সেই সঙ্গে কিউআর কোড দিয়ে স্ক্যানের কথাও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও সামাজিক মাধ্যমে টাকা চেয়ে আবেদন করেছিল সিপিএম। জিডিটালি চাঁদা তোলাও হয়েছিল বলে খবর। এই নিয়ে সিপিএম বিরোধীদের একাংশ কটাক্ষও ছুড়ে দিয়েছেন। সিপিএম একসময় ইন্টারনেট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ছিল। তারাই এখন ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহে নেমেছে বলে খোঁচা দেওয়া হয়েছে।
যদিও সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, বহু মানুষ দলকে টাকা দিতে চান ভোটের সময়। দূরে থাকার জন্য সেটি হয়ে ওঠে না। সেকারণেই এখন কিউআর কোড দেওয়া হচ্ছে। সিপিএম ইলেকট্রোরাল বন্ড নেই, মানুষের সাহায্যেই বিশ্বাসী। সেই কথাও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
করম পরবে ‘কল্পতরু’ মুখ্যমন্ত্রী! পুরুলিয়া থেকে কুড়মালি ভাষা নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
মা-বাবার সুরক্ষার স্বার্থে পরিবারে নতুন সদস্য, কত লাখি গাড়ি উপহার দেবের?
-
বয়সকালে হাড় ভাঙার ঝুঁকি কতটা? কলকাতা মেডিক্যালে জানা যাবে বিনামূল্যেই
-
অস্তাচলে লাল সূর্য! বারাণসীতে এনকাউন্টারে খতম মাও কমান্ডার ব্রিজেশ
-
‘এজেন্সি অতি দ্রুততার সঙ্গে কাজ করলে সন্দেহ হয়’, ফের সিবিআই নিয়ে ‘সংশয়’ প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের