সারাবছর পর্যটকদের ভিড় পাহাড়ে। পাকদণ্ডী বেয়ে যেটুকু চলার পথ, তাতেই গাড়ির ঢল। কখনও কখনও গাড়ির দীর্ঘ লাইনে হাঁটার জায়গা থাকে না। আর দার্জিলিং শহরের ম্যাল তো সর্বদাই ভিড়ে ঠাসা। তাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে, পর্যটকরাও সমস্যায় পড়েন। এই অসুবিধা থেকে পর্যটন ক্ষেত্র দার্জিলিংকে যানজটমুক্ত করে ফের স্বমহিমায় ফেরাতে বড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। শনিবার নিউটাউনে পশ্চিমবঙ্গ বিজনেস কাউন্সিলের বৈঠকে এনিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ। তাঁদের প্রস্তাব, পর্যটনস্থল থেকে সরকারি অফিস অন্যত্র সরিয়ে নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
দার্জিলিঙের মতো ছোট্ট পাহাড়ি শহর যেমন পর্যটন ক্ষেত্র হিসেবে বিখ্যাত ও জনপ্রিয়, তেমনই এখানকার প্রশাসনিক কাজকর্মের জন্য একাধিক কার্যালয়ও রয়েছে। সেখানে কর্মী, আধিকারিকদের সংখ্যাও কম নয়। যে পথে পর্যটকরা বেড়াতে যান, সেই রাস্তার উপর এই অফিসগুলি। ফলে একই পথে যাতায়াত করতে হয় সকলকে। যে কারণে এত যানজট তৈরি হয় পাহাড়ের সরু রাস্তাগুলিকে। তার জেরে পর্যটকদের অভিজ্ঞতাও কখনও কখনও তিক্ত হয়। এই সমস্যা মুক্তির জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিচ্ছে রাজ্য সরকার।
পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষের প্রস্তাব, দার্জিলিংয়ের পর্যটনস্থল অর্থাৎ ঘোরার জায়গাগুলি থেকে সমস্ত কার্যালয় সরিয়ে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে হবে। বিকল্প রাস্তা নয়, বিকল্প এলাকায় নিয়ে যাওয়া হবে কাজের জায়গা। যেমন রাজভবন থেকে শুরু করে যাবতীয় সরকারি অফিস সরালে অনেকটা সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষের প্রস্তাব, দার্জিলিংয়ের পর্যটনস্থল অর্থাৎ ঘোরার জায়গাগুলি থেকে সমস্ত কার্যালয় সরিয়ে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে হবে। বিকল্প রাস্তা নয়, বিকল্প এলাকায় নিয়ে যাওয়া হবে কাজের জায়গা। যেমন রাজভবন থেকে শুরু করে যাবতীয় সরকারি অফিস সরালে অনেকটা সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
এই ভিড়, যানজটে হাঁসফাঁস দশায় শিলংয়ের খাসি সম্প্রদায় প্রবল আপত্তি তুলেছে। তাদের দাবি, এত ভিড়ে পাহাড়ের দমবন্ধ হয়ে আসছে। এবার পাহাড়কে একটু শ্বাস নিতে দেওয়া হোক। সারাবছর এত পর্যটন ব্যবসার প্রয়োজন নেই, বরং প্রকৃতি বাঁচুক।
পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পাহাড়ের জনপ্রিয়তার তুলনা হয় না। শুধু দার্জিলিং পাহাড় নয়, উত্তরের কাশ্মীর থেকে উত্তরপূর্বের শিলং – প্রায় সারাবাছর পাহাড়প্রেমী মানুষের ভিড় থাকে। গুয়াহাটি থেকে গাড়ি বা বাসে কয়েকঘণ্টার মধ্যে পৌঁছনো যায় শিলংয়ে। সম্প্রতি এই ভিড়, যানজটে হাঁসফাঁস দশায় শিলংয়ের খাসি সম্প্রদায় প্রবল আপত্তি তুলেছে। তাদের দাবি, এত ভিড়ে পাহাড়ের দমবন্ধ হয়ে আসছে। এবার পাহাড়কে একটু শ্বাস নিতে দেওয়া হোক। সারাবছর এত পর্যটন ব্যবসার প্রয়োজন নেই, বরং প্রকৃতি বাঁচুক। এবার দার্জিলিং পাহাড়কেও সেভাবেই সমস্যামুক্ত করতে উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ জানিয়েছেন, পর্যটন নীতি আনা হবে। তা শিল্প নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই তৈরি হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
শচীনের থেকে কোথায় এগিয়ে কোহলি? এবি’র মন্তব্যের পর এবার তথ্য দিয়ে ব্যাখ্যা নাইট প্রাক্তনীর
-
নারী স্বনির্ভরতায় দিশা দেখাবে পাটজাত পণ্য, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ শুরু বালুরঘাটে
-
২ সপ্তাহ ধরে পেটে তীব্র যন্ত্রণা! মীরা ভট্টাচার্যের জন্য মেডিক্যাল বোর্ড, কেমন আছেন বুদ্ধজায়া?
-
মমতা আমলে তৈরি হওয়া কর্মতীর্থেও দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আসতেই চাঞ্চল্য বীরভূমে
-
অন্তঃসত্ত্বার পেটে ‘সন্তানের মুখ’, খাচ্ছে ডাব! হবু মাকে ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ নেটদুনিয়ার