Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Jute

নারী স্বনির্ভরতায় দিশা দেখাবে পাটজাত পণ্য, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ শুরু বালুরঘাটে

জেলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে ১০ দিনের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ২০ জন মহিলাকে।

রাজা দাস
রাজা দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৬:১৭

link
রাজা দাস
রাজা দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৬:১৭

options
link
নারী স্বনির্ভরতায় দিশা দেখাবে পাটজাত পণ্য, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ শুরু বালুরঘাটে zoom
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে মহিলাদের জন্য শুরু পাটজাত পণ্য তৈরির প্রশিক্ষণ
Advertisement

পাটেই লুকিয়ে স্বনির্ভরতার দিশা। মহিলাদের কর্মমুখী করতে পাটজাত হস্তশিল্প সামগ্রী তৈরির প্রশিক্ষণ শুরু করল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র। উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত জেলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রে ১০ দিনের এই প্রশিক্ষণটি হচ্ছে আবাসিক শিবিরের মাধ্যমে। আপাতত জেলার বিভিন্ন প্রান্তের ২০ জন মহিলাদের জন্য এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ, ফাইল ফোল্ডার, জুতো ও ঘর সাজানোর নান্দনিক জিনিস তৈরি শেখানো হচ্ছে।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট, হিলি, কুমারগঞ্জ, তপন গঙ্গারামপুর-সহ আটটি ব্লকেই কমবেশি অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়। এর মধ্যে অন্তত ২০ হাজার হেক্টর মিঠা পাট এবং ১০ হাজার হেক্টর ম্যাস্তা পাট উৎপন্ন হয়। জেলায় বিশেষ স্থানে থাকা পাটশিল্পকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থান ও মহিলাদের স্বনির্ভরতার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাটজাত পণ্য প্রশিক্ষণের এই শিবিরে পাটের সুতা ও কাপড়ের মান চেনা, কাঁচামাল নির্বাচন-সহ আধুনিক সামগ্রী তৈরির পাশাপাশি, বাজারজাত করার পদ্ধতি হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে। দক্ষিণ দিনাজপুর কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র (মাঝিয়ান) কৃষি আধিকারিক শিবানন্দ সিংহ বলেন, ‘‘মহিলাদের স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কৃষি ক্ষেত্রের মাধ্যমে। এটি তারই অঙ্গ। পাট উৎপাদনে জেলা অন্যতম। এক্ষেত্রে পাটকেই কাজে লাগিয়ে পাটজাত সামগ্রী তৈরির উদ্যোগ। জেলায় আপাতত ২০ জনকে দিয়ে শুরু হলেও আরও বেশি বেশি মহিলাদের কর্মমুখী করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট, হিলি, কুমারগঞ্জ, তপন গঙ্গারামপুর-সহ আটটি ব্লকেই কমবেশি অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়। এর মধ্যে অন্তত ২০ হাজার হেক্টর মিঠা পাট এবং ১০ হাজার হেক্টর ম্যাস্তা পাট উৎপন্ন হয়। জেলায় বিশেষ স্থানে থাকা পাটশিল্পকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থান ও মহিলাদের স্বনির্ভরতার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যথেষ্ট উৎপাদন সত্ত্বেও পাটশিল্প ক্রমশ ক্ষয়িষ্ণু। কিন্তু রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর পাটশিল্পকে চাঙ্গা করতে উদ্যোগী। তারই অঙ্গ হিসেবে এবার পাটজাত পণ্য আরও বেশি করে তৈরি ও বাজারজাত করতে জেলায় এই উদ্যোগ নেওয়া হল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.