Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Birbhum

মমতা আমলে তৈরি হওয়া কর্মতীর্থেও দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আসতেই চাঞ্চল্য বীরভূমে

২০১৭-১৮ সালে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আর্থিক ও ব্যবসায়িক উন্নতির লক্ষ্যে জেলায় একাধিক কর্মতীর্থ হাট ও বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৬:১২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৬:১২

options
link
মমতা আমলে তৈরি হওয়া কর্মতীর্থেও দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আসতেই চাঞ্চল্য বীরভূমে zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সরকারি উদ্যোগে বীরভূমে তৈরি হয়েছিল পাঁচটি কর্মতীর্থ হাট। লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পী, তাঁতি ও স্থানীয় কারিগরদের জন্য স্থায়ী বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। কিন্তু সেই লক্ষ্য পূরণ তো দূরের কথা, জেলার একাধিক কর্মতীর্থ হাট উপযুক্ত পরিকাঠামো বাজারজাতকরণের অভাবে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার উপর সরকারি তহবিলে কোনও অর্থ জমা না পড়া এবং আয়-ব্যয়ের হিসাবেও অসঙ্গতির অভিযোগ সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ক্যাগ-এর রিপোর্টে এমনই একাধিক গুরুতর প্রশ্ন ওঠায় জেলার কর্মতীর্থ হাটগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট সংলগ্ন এলাকা, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর এবং রামপুরহাটের কর্মতীর্থগুলিতে পরিকাঠামো, বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা ও ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে না ওঠার অভিযোগ উঠে এসেছে।

২০১৭-১৮ সালে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আর্থিক ও ব্যবসায়িক উন্নতির লক্ষ্যে জেলায় একাধিক কর্মতীর্থ হাট ও বিপণন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসার, স্থানীয় কারিগর ও হস্তশিল্পীদের উৎপাদিত সামগ্রীর স্থায়ী বাজার তৈরি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধিই ছিল এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু ক্যাগের মূল্যায়ন রিপোর্টে জেলার পাঁচটি কর্মতীর্থ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট সংলগ্ন এলাকা, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর এবং রামপুরহাটের কর্মতীর্থগুলিতে পরিকাঠামো, বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা ও ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে না ওঠার অভিযোগ উঠে এসেছে। কর্মতীর্থগুলির আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়েও অসঙ্গতির অভিযোগ রয়েছে ক্যাগের রিপোর্টে।

Advertisement

এমনকী কর্মতীর্থ থেকে সংগৃহীত অর্থের কোনও অংশ সরকারি তহবিলে জমা পড়েনি বলেও রিপোর্টে অভিযোগ করা হয়েছে। ফলে কোথা থেকে কত টাকা আয় হয়েছে, সেই অর্থ কীভাবে খরচ হয়েছে এবং সরকারি তহবিলে কেন তা জমা পড়েনি। যদিও জেলা প্রশাসনের দাবি, সরকারি অর্থের কোনও গরমিল বা দুর্নীতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখাই ক্যাগের কাজ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.