সল্টলেক চিকিৎসক

সল্টলেকের বাড়ি থেকে উদ্ধার চিকিৎসকের দেহ, মৃত্যুর কারণ ঘিরে রহস্য

শোয়ার ঘরে বিছানার উপর পড়েছিল নিথর দেহটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২০, ১৬:০২

options
link
সল্টলেকের বাড়ি থেকে উদ্ধার চিকিৎসকের দেহ, মৃত্যুর কারণ ঘিরে রহস্য
ছবিটি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সল্টলেকে এক মধ্যবয়সী চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যু। আর তাকে ঘিরেই দানা বেঁধেছে রহস্য। বিছানার উপর তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও জানতে পারেনি পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

মৃত চিকিৎসকের নাম জয় বসু। বয়স ৪২। জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে তাঁর বাড়িতে কাজ করতে আসেন পরিচারিকা। কিন্তু বারবার বাড়ির কলিং বেল বাজানো হলেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া পাননি। সন্দেহ হওয়ায় তিনি প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানান। প্রতিবেশীরাই এরপর পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে বাড়ির দরজা ভেঙে ঢুকে চিকিৎসকের দেহটি উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে, শোয়ার ঘরে বিছানার উপর জয় বসুর নিথর দেহটি পড়েছিল। দেহটি উদ্ধার করে বিধাননগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জীবনযুদ্ধে হার, মাত্র ৫৭ বছরেই প্রয়াত ‘গণশক্তি’ পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক অভীক দত্ত]

সল্টলেকের সিডি ব্লকের ৩১২ নম্বর বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তদন্ত নেমে শুরুতেই ওই চিকিৎসকের আত্মীয়দের খোঁজ করে পুলিশ। একমাত্র নিকটতম আত্মীয় বলতে তাঁর দিদির সন্ধান মেলে। কিন্তু তিনি থাকেন আমেরিকায়। ফলে জয় বসুর সঙ্গে আর কোন আত্মীয়দের যোগাযোগ ছিল, তা এখনও জানা যায়নি। কীভাবে তিনি প্রাণ হারালেন, সে রহস্য এখনও অন্ধকারেই। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের উপরই ভরসা রাখছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। আচকমা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে, না কি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ লুকিয়ে আছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সল্টলেকের মতো অভিজাত এলাকায় চিকিৎসকের এমন মৃত্যু ঘিরে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।

[আরও পড়ুন: মধ‌্য এপ্রিলে পুরভোটের সম্ভাবনা, ভাবাচ্ছে সংরক্ষণের অঙ্ক ও ওয়ার্ড বিন্যাস]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.