অর্ণব আইচ: কলকাতায় ফের উদ্ধার নিষিদ্ধ মাদক। গুজরাট পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট শাখা ও ডাইরেক্টর অফ রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স যৌথভাবে অভিযান চালায়। লোহার যন্ত্রাংশের ভিতর থেকে প্রায় ৪০ কেজি মাদক উদ্ধার হয়। কলকাতা বন্দর থেকে উদ্ধার হওয়া ওই মাদকের বাজারদর আনুমানিক প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
গুজরাটের ডিজিপি আশিস ভাটিয়া বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুবাই থেকে আসে ৩৯.৫ কেজি হেরোইন। গোপন সূত্রে সে খবর পান তদন্তকারী। মাদক পাচার রুখতে পদক্ষেপ করা হয়। গোপন সূত্রে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ৭ হাজার ২২০ কেজি লোহার যন্ত্রাংশের ভিতর লুকিয়ে মাদক পাচারের ছক কষা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী কলকাতা বন্দরে দুবাই থেকে আসা একটি জাহাজে তল্লাশি চালানো হয়। ওই জাহাজেই ছিল ৩৬টি গিয়ার বক্স। ওই গিয়ার বক্সগুলির মধ্যে ১২টিকে সাদা কালি দিয়ে চিহ্নিত করা ছিল। তাতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৭২ প্যাকেট হেরোইনের খোঁজ মেলে। যার বাজারদর আনুমানিক প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
[আরও পড়ুন: বড় স্বস্তি অনুব্রত মণ্ডলের, গরু পাচার মামলার মাঝেই বিস্ফোরণ মামলায় বেকসুর খালাস]
এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই একাধিক প্রশ্নের ভিড়। কে বা কারা এই মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কলকাতায় কোথায় যেত এই বিপুল মাদক সে খোঁজখবরও ইতিমধ্যেই নেওয়া শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, ডার্ক ওয়েবে ফের কলকাতায় যে বিদেশি মাদক ঢুকেছে সে খবর আগেই পেয়েছিল এসটিএফ। সেই অনুযায়ী গত মাসেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে দু’দিনে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই যন্ত্রাংশের আড়ালে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ।
[আরও পড়ুন: সিজিও কমপ্লেক্স অভিযানে কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ, বিজেপিকে ‘বড় লুটেরা’ বলে আক্রমণ বামেদের]
সর্বশেষ খবর
-
বাড়িতে দুর্গাপুজো করছেন? বাস্তু মেনে এই দিকে রাখুন প্রতিমা, নইলে হতে পারে সর্বনাশ!
-
রাত নামলেই স্বল্পবসনাদের ভিড়, অবাধ যৌনতা! পাটনার গেস্টহাউস যেন কুকীর্তির আখড়া
-
দু’দিনের চিরুনি তল্লাশির পরও অধরা আকাশ, রোলাহাটুর আগ্নেয়াস্ত্রই এখন গোয়েন্দাদের ‘ক্লু’
-
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে দু’নম্বরে উঠে এল আমেরিকা, শীর্ষে চিন, ‘সম্পর্কের শৈত্যে’ কোথায় ভারত?
-
‘যতদিন সনাতনী পতাকা উড়বে, কেউ ভারতের ক্ষতি করতে পারবে না’, হুঙ্কার যোগীর