Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
India-Bangladesh Trade

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে দু’নম্বরে উঠে এল আমেরিকা, শীর্ষে চিন, ‘সম্পর্কের শৈত্যে’ কোথায় ভারত?

তারেক রহমান শপথ নেন চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি। তার আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ এবং আমেরিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ২১:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ২১:৩৬

options
link
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে দু’নম্বরে উঠে এল আমেরিকা, শীর্ষে চিন, ‘সম্পর্কের শৈত্যে’ কোথায় ভারত? zoom
বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের হিসাব দিয়েছে।
Advertisement

সম্পর্কের শৈত্যে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য পিছিয়ে পড়ল ভারত! দিল্লিকে ছাপিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল আমেরিকা। সম্প্রতি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমাণ জানিয়েছে ঢাকা। ওই রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে আমেরিকার নিচে তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ভারত। অন্যদিকে বিগত বছরগুলির মতোই শীর্ষস্থান দখলে রেখেছে চিন। বেজিংয়ের সঙ্গে বাকিদের তফাত বিরাট। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারানোর পর দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যেও।

বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, গত ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৬৭ কোটি ডলার। সেখানে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য হয়েছে ১ হাজার ৭২ কোটি ডলার (কোটির হিসাব বাংলাদেশের মুদ্রায়)। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বাংলাদেশে যেখানে ৪৩ শতাংশ রপ্তানি বাড়িয়েছে আমেরিকা। সেখানে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। অন্য দিকে, একই সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ কমেছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ। বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানির পরিমাণও ৩ শতাংশ কমে গিয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তারেক রহমান শপথ নেন চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি। তার আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ এবং আমেরিকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই সময় বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কের পরিমাণ কমিয়ে ১৯ শতাংশ করে আমেরিকা। অন্য দিকে, আমেরিকা থেকে ৩৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য, ১৫ বছরে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের জ্বালানি, ১৪টি বোয়িং বিমান এবং সামরিক সরঞ্জাম কেনার অঙ্গীকার করে বাংলাদেশ। এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পরেই বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি অনেকটা কমাতে পেরেছে আমেরিকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে আমেরিকায় ৯১১ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। ট্রাম্পের দেশ থেকে আমদানি করেছে ৩৫৬ কোটি ডলারের পণ্য।

এমনিতে প্রতিবেশী দেশ থেকে পণ্য আনতে সময় ও পরিবহণ খরচ দুই কম লাগে। এই কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভারত থেকে তুলো, সুতো, খাদ্যপণ্য, শিল্পের কাঁচামাল, জ্বালানি-সহ বহু পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু দুই দেশের সম্পর্কের পতনে দিল্লি থেকে আমদানি অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে ঢাকা। তিন দফায় বাংলাদেশের পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল ভারতও। অন্যদিকে পণ্য রপ্তনিতেও বেশ কিছু কঠোর নিয়ম জারি করেছিল দিল্লি। সব মিলিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। এর ফলেই বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে ভারতকে পিছনে ফেলে দিল আমেরিকা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.