Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bangladesh

হম্বিতম্বিই সার! ঝাড়খণ্ডের আদানি প্ল্যান্টের বিদ্যুতেই আলো জ্বলবে বাংলাদেশে

দীর্ঘ বছর ধরে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৭:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৭:৫৪

options
link
হম্বিতম্বিই সার! ঝাড়খণ্ডের আদানি প্ল্যান্টের বিদ্যুতেই আলো জ্বলবে বাংলাদেশে zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশ দেনায় ডুবেছে। বিদ্যুতের কোটি কোটি টাকা বকেয়া। ধারের টাকায় আদানি সংস্থার থেকে বিদ্যুৎ কিনেছিল তৎকালীন অন্তবর্তী সরকার। সেই টাকা এখনও মেটায়নি বাংলাদেশ সরকার। এই অবস্থায় বাংলাদেশে রপ্তানি করা বিদ্যুতের উপর ইউনিট পিছু বাড়তি চার্জ ধার্য করে। আর তাতেই কার্যত রাতের ঘুম উড়ে যায় তারেক সরকারের! বিদ্যুৎ নিতে বাংলাদেশ চিনের দ্বারস্থ হতে পারে বলে চলছিল জল্পনা। এমনকী বাড়তি টাকায় চিন থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চেয়ে আলোচনাও শুরু করে তারেক সরকার কিন্তু তর্জন-গর্জনই সার! সেই আদানির বিদ্যুতেই আলো জ্বলবে বাংলাদেশে। সে দেশে ফের বিদ্যুৎ দিতে শুরু করল বাংলাদেশ। এমনকী যে পরিকাঠামো সমস্যা ছিল তাও মিটিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর গভীররাতে ঝাড়খণ্ডের আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকাঠামো সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটে এই সমস্যা সামনে আসে। এরপরেই এই ইউনিট কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। যার জেরে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্যভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যায়। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ত্রুটি দেখা দেওয়ার আগে ঝাড়খণ্ডের ওই কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল। ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার পর সরবরাহ ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে। এর ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় লোডশেডিং শুরু হয়। এহেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে বেশ কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে আশংকা দেখা দেয়। যদিও নির্ধারিত সময়ের আগেই ত্রুটি সারানো হয় বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, চালু হয়েছে ইউনিট। এরফলে ফের একবার বিদ্যুৎ পরিষেবা বাংলাদেশে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বলে খবর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই গত কয়েকদিন বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয় কেন্দ্র। বাংলাদেশে রপ্তানি করা বিদ্যুতের উপর ইউনিট পিছু বাড়তি চার্জ ধার্য করা হয়। বিদ্যুৎ রপ্তানি ক্ষেত্রে গ্রিড পরিচালনা ও বিদ্যুৎ লেনদেনের হিসাব-নিকাশ নিষ্পত্তির জন্য সেটেলমেন্ট নোডাল এজেন্সি (এসএনএ) চার্জ আরোপ করা হয়। যার জেরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে ০.০০৫ টাকা বেশি দিতে হবে বাংলাদেশকে। আর তাতেই গোঁসা হয় তারেক রহমানের। বিদ্যুত নিতে চিনের দিকে ঝুঁকতে শুরু করে বাংলাদেশ।

এদিকে দীর্ঘ বছর ধরে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে মোট ২ হাজার ৬৫৬ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে এনভিভিএনের মাধ্যমে এনটিপিসি থেকে ২৫০ মেগাওয়াট, দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন থেকে ৩০০ মেগাওয়াট, ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি কর্পোরেশন থেকে ১৬০ মেগাওয়াট, পিটিসি ইন্ডিয়ার মাধ্যমে সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়ার কেন্দ্র থেকে ২০০ মেগাওয়াট ও সেম্বকর্প এনার্জি ইন্ডিয়া থেকে আরও ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে। এই পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য এসএনএ চার্জ বিষয়ক চুক্তি হচ্ছে। এর বাইরে আদানি পাওয়ারের ঝাড়খণ্ডের গড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি রয়েছে বাংলাদেশের। সেখানে অবশ্য আগে থেকেই যুক্ত রয়েছে এই চার্জ। ফলে গড্ডা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আলাদা করে চুক্তির প্রয়োজন পড়বে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.