রবিবার থেকে বাস চলাচল বন্ধ টালা ব্রিজে, ভোগান্তির আশঙ্কা জনগণের

শুক্রবার ঘোষণা নবান্নের৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৭:১৫

options
link
রবিবার থেকে বাস চলাচল বন্ধ টালা ব্রিজে, ভোগান্তির আশঙ্কা জনগণের
পুরনো টালা ব্রিজের ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর মুখে খারাপ খবর উত্তর ও বৃহত্তর কলকাতার বাসিন্দাদের জন্য৷ রবিবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ হতে চলেছে টালা ব্রিজে বাস চলাচল৷ চলবে কেবল ছোট গাড়ি এবং ছোট পণ্যবাহী গাড়ি৷ শুক্রবার নবান্ন থেকে এই ঘোষণাই করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: ঝটিকা সফরে কলকাতায় জে পি নাড্ডা, থাকবেন মহালয়ার তর্পণে ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ভবনে রাইটসের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, কলকাতার মেয়র তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, ডিজি বীরেন্দ্র এবং বারাকপুর ও বিধাননগর পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা৷ উক্ত বৈঠকেই শহরের ব্যস্ততম এই সেতুতে বাস চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত জানান রাইটসের বিশেষজ্ঞরা৷ তাঁরা বলেন, এই ব্রিজের উপর দিয়ে তিন টনের বেশি ওজনের যান চলাচল করতে পারবে৷ নবান্ন সূত্রে খবর, পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে ইতিমধ্যে বিকল্প রুটের পরিকল্পনা করতে শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন৷ শনিবার সম্পূর্ণ হবে বিকল্প রুটের পরিকল্পনা।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: পুজোয় গভীর রাতেও মিলবে রেল পরিষেবা, হাওড়া-শিয়ালদহ লাইনে চলবে বাড়তি ট্রেন ]

প্রসঙ্গত, টালা ব্রিজের যা অবস্থা তাতে যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে বলে আগেই জানায় রাইটস। এই ব্রিজের উপর দিয়ে উত্তর শহরতলির সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করা যায়। বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ হলে যাত্রীদের যে সমস্যা হবে তা বলাই বাহুল্য। বাস, মিনিবাস, লরি, ম্যাটাডর-সহ সমস্ত বড় গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ট্যাক্সি, অ্যাপ ক্যাব চলবে। পুজোর সময় যাতে সাধারণ মানুষের অসুবিধা না হয় তা নিশ্চিত করবে পুলিশ। বিকল্প রাস্তায় বাস চালানো হবে। বাসের বিকল্প রুট ঠিক করবেন কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক কর্তারা। নবান্নের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারী গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি না হলে হঠাৎ প্রবল বিপত্তি ঘটতে পারে। অন্যদিকে, এই সেতুর নিচে প্রায় দু’শো মানুষ থাকেন। তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করতে ‘হ্যাঙার’ তৈরি হবে। মেয়র তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, সেতুর নিচে যাঁরা আছেন তাঁদের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে। কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.