রাজস্থান থেকে কম্বোডিয়ায় মানব পাচারের অভিযোগ। সরাসরি কম্বোডিয়ায় না নিয়ে গিয়ে মায়ানমার হয়ে রাজস্থানের দুই যুবককে পাচার করার ছক কষে এক কুখ্যাত অপরাধী। তার জন্য প্রথমে তাঁদের নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। শিয়ালদহ স্টেশনে নামতেই রেল পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার মানব পাচারকারী-সহ ৩। সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে রবিকুমার মূল পাচারকারী হলেও বাকি দুই যুবক ঋতুরাজ তিওয়ারি ও অনিল কুমার ইচ্ছাকৃতভাবেই কম্বোডিয়ায় ভুয়ো কল সেন্টারের চাকরিতে যোগ দিতে যাচ্ছিল।
আরও পড়ুন:
রবিবার রাজস্থান পুলিশের পক্ষ থেকে শিয়ালদহ জিআরপিকে জানানো হয় যে, রবিকুমার ও বাকি দু’জন আজমেঢ় থেকে ট্রেনে করে সোমবার শিয়ালদহ স্টেশনে পৌঁছবে। সেই মতো এদিন রেল পুলিশ স্টেশনে তল্লাশি শুরু করে। এরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় তিন জন। পুলিশ জানিয়েছে, রবিকুমারের বাড়ি রাজস্থানের জয়পুরে। সে বাকি দু’জনকে কম্বোডিয়ায় মোটা টাকা মাইনের টোপ দেয়। জানা গিয়েছে, এর আগে ঋতুরাজ কম্বোডিয়ায় সাইবার জালিয়াতদের হয়ে বেআইনি কল সেন্টারে কাজ করত। তার ফলে সে আগে থেকেই জানত যে, তাকে কী কাজ করতে হবে।
অভিযোগ, রবিকুমার তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট নিয়ে নেয়। তারা রওনা হওয়ার পরই একজনের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। তারই ভিত্তিতে রাজস্থান পুলিশ শুরু করে তদন্ত। কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ ও উত্তর পূর্ব ভারত হয়ে প্রথমে তাদের মায়ানমার নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সেখান থেকে কম্বোডিয়া। ধৃতদের গ্রেপ্তার করার পর রাজস্থানে নিয়ে গিয়ে জেরা করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের