পুলিশ

রক্ষকই ভক্ষক! ডাকাতির অভিযোগে গোয়েন্দাদের জালে কনস্টেবল

এর আগে একই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের এক এএসআই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৯, ১৪:০৮

options
link
রক্ষকই ভক্ষক! ডাকাতির অভিযোগে গোয়েন্দাদের জালে কনস্টেবল
ছবি: প্রতীকী

অর্ণব আইচ: এএসআইয়ের পর ডাকাতির অভিযোগে এবার গ্রেপ্তার হল কলকাতা পুলিশেরই এক কনস্টেবল। মুচিপাড়ায় এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর থেকে টাকা লুট করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। কর্মসূত্রে তিনি রিজেন্ট পার্ক থানার কনস্টেবল। বুধবার রাতে তাঁকে বীজপুর থেকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ধৃত ওই কনস্টেবলের নাম উৎপল কর।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: রাতের কলকাতায় হেনস্তার শিকার রঞ্জিত মল্লিকের ভাইপো, যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিছুদিন আগে মুচিপাড়ার কাছে প্রবীণ স্বর্ণ ব্যবসায়ী বাবলু নাথের (৫১) কাছ থেকে লুট হয় নগদ টাকা ও সোনা। তাঁর ব্যাগে ছিল ৫০ গ্রাম সোনা ও নগদ এক লক্ষ টাকা। মুচিপাড়া থানা এলাকার কাছে তিনি আসতেই একটি টাটা সুমোয় পাঁচজন চেপে এসে তাঁর পথ আটকায়। এরপর আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে জোর করে টাটা সুমোয় চাপিয়ে তারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। ব্যবসায়ীর ব্যাগে থাকা ৫০ গ্রাম সোনা ও এক লক্ষ টাকা ছিনতাই করে তারা। ছিনতাইয়ের পর ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে চম্পট দেয় পাঁচজন দুষ্কৃতী। ঘটনার তদন্ত শুরু করে মুচিপাড়া থানার পুলিশ।

Advertisement

রাস্তার সিসিটিভির ফুটেজ দেখে টাটা সুমোর চালক নেপালচন্দ্র ধরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জেরা করে গোয়েন্দা পুলিশ জানতে পারে, ওই টাটা সুমো ভাড়া নিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর আশিস চন্দ্র। এর পরেই তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরই সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় বলাইকে। ধৃতদের জেরা করে পলাতক বাকি দুষ্কৃতীদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপরই উঠে আসে আরও এক মাস্টারমাইন্ড উৎপলের নাম।

[ আরও পড়ুন: বাসের জানলার বাইরে হাত, দুর্ঘটনায় অঙ্গ কাটা গেল যাত্রীর ]

গত বছর অক্টোবর মাসে কলকাতা পুলিশের নর্থ ডিভিশনে তাঁকে বদলি করা হয়। কিন্তু বদলির পর থেকে আর চাকরিতে যোগ দেননি তিনি। জানা গিয়েছে, উৎপলের নামে এমন আরও অভিযোগ রয়েছে। ডাকাতিদমন শাখার কনস্টেবল ছিলেন তিনি। সেই সূত্রই তার যোগাযোগ ছিল অনেকের সঙ্গে। সেই যোগাযোগকেই কাজে লাগাতেন উৎপল। তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হুমকি ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণে তিনি গা ঢাকা দিয়ে থাকতেন। কাজে যোগ দেননি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.