স্ত্রীকে নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রি করে দেবে ‘অপহরণকারী’ যুবক, হাই কোর্টে স্বামী

পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও মেলেনি সুরাহা, বাধ্য হয়ে আদালতে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৮, ০৮:৫৮

options
link
স্ত্রীকে নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রি করে দেবে ‘অপহরণকারী’ যুবক, হাই কোর্টে স্বামী

স্টাফ রিপোর্টার: তাঁর স্ত্রীকে আটকে রেখেছে এক যুবক। কয়েক দিনের মধ্যেই নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হবে। পুলিশ বলছে নিজের মর্জিতে বাড়ি ছেড়েছেন স্ত্রী। এহেন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বর্ধমানের পূর্বস্থলীর বিশ্বেশ্বর মণ্ডল।

Advertisement

গত বছর মার্চ মাসের শেষের দিকে বিশ্বেশ্বরবাবুর বউ তন্দ্রা মণ্ডল হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান। অনেক খোঁজ করার পরও কোনও হদিশ না মেলায় পূর্বস্থলী থানায় এলাকারই যুবক বাবুরাম দলুই ওরফে বাবুসোনার বিরুদ্ধে বউকে অপহরণের অভিযোগ করেন বিশ্বেশ্বরবাবু। কারণ ২৮ মার্চ তন্দ্রা মণ্ডল নিখোঁজ হওয়ার দিন থেকেই পাত্তা নেই বাবুসোনারও।

Advertisement

[যখন তখন ধেয়ে আসছে ইট! ভূতের আতঙ্কে সিঁটিয়ে তাঁতিপাড়া]

দশ বছর আগে বিশ্বেশ্বরের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তন্দ্রার। তাঁদের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। হঠাৎ করে তাই পুরনো বউ এভাবে উধাও হয়ে যাবে ভাবতেও পারেননি বিশ্বেশ্বর। বউ নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিন পর একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে বিশ্বেশ্বরের মোবাইলে। বিশ্বেশ্বরের আইনজীবী রবিশঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, ফোনে তন্দ্রা জানান তাঁকে একটি জায়গায় আটকে রাখা হয়েছে। বাবুসোনা খোঁজ নিষিদ্ধপল্লিতে পাচারের ছক করছে। এসব পুলিশে জানানোর পরও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

Advertisement

বৃহস্পতিবার মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে। সব শোনার পর বিচারপতি মামলাকারীর আইনজীবীর কাছে জানতে চান, “বউ নিজের ইচ্ছায় গিয়েছেন না তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে তা নিশ্চিত করছেন কীভাবে?” উত্তরে রবিশঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সেটা পুলিশ রিপোর্ট এলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। ঘটনার এখনও কোনও তদন্তই হয়নি।” এরপরই ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পুলিশকে এনিয়ে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বসাক।

[চালকের হাতে স্টিয়ারিং,কানে ফোন? হোয়্যাটসঅ্যাপেই জানান কলকাতা পুলিশকে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.