Kunal Ghosh

অভিষেকের চার্টার্ড বিমানে-‘কেম্যান’ যোগ! তদন্তের দাবিতে সরব কুণাল

দিন দুই আগে এই মামলার তদন্তেই ইডি শহরের পাঁচ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল। তাতে উঠে আসা তথ্য দেখে তাজ্জব কুণাল ঘোষ!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৯:৪৬

options
link
অভিষেকের চার্টার্ড বিমানে-‘কেম্যান’ যোগ! তদন্তের দাবিতে সরব কুণাল

রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর দুর্নীতি সংক্রান্ত পুরনো সমস্ত মামলার ফাইল নতুন করে খোলা হচ্ছে। সেভাবেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের খরচে বেআইনি উৎস সন্ধানে তৎপর হন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার ওই মামলায় শহরের পাঁচ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। রাধাবাজারে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন প্রাইভেট লিমিটেডের অফিস এবং মালিকের বাড়িতে তল্লাশি চলে। সেখান থেকে যে তথ্য ইডির হাতে এসেছে, তাতে রীতিমতো তাজ্জব সকলে! এই আর্থিক দুর্নীতির কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লেন ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বললেন, ‘‘এসব কিছুই জানতাম না। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট যা বলছে, তা চমকে দেওয়ার মতো। তা যদি সত্যিই হয়, আমরা চাইব তদন্ত এজেন্সি এর গোড়া পর্যন্ত গিয়ে সমস্ত বিষয়টা প্রকাশ করুক।”

Advertisement

মঙ্গলবার ওই সংস্থার পাঁচ জায়গায় তল্লাশির পর আর্থিক লেনদেনের খতিয়ান প্রকাশ দিয়েছে ইডি। সেই খতিয়ান অনুযায়ী, আসল গোলমাল লুকিয়ে রয়েছে একটি চক্রাকার বা সার্কুলার ট্রেডিংয়ের মধ্যে। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত, তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে। কেয়ারওয়েল সেই টাকার একটি বড় অংশ তাদেরই এক সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে ঘুরিয়ে মোট ১১২ কোটি টাকা খরচ করে একটি এমব্রেয়ার বিমান এবং একটি অগাস্টা হেলিকপ্টার কেনে। ইডির অভিযোগ, তৃণমূলের টাকা দিয়েই এই বিমান ও কপ্টার কেনার পর সেগুলিই মোটা অঙ্কের ভাড়ার বিনিময়ে তৃণমূলকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়! অর্থাৎ, বিমান ভাড়ার খরচ দেখিয়ে ঘুরপথে আবারও কোটি কোটি টাকা দলের অ্যাকাউন্ট থেকে কেয়ারওয়েল এভিয়েশনের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

Advertisement

রাধাবাজার স্ট্রিটের কেয়ারওয়েল গ্রুপ অফ কোম্পানির অফিস-সহ ৫টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। এই সংস্থার দুই ডিরেক্টর হলেন রমেশ কুমার জাজু ও পবন কুমার জাজু। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের টাকা ঘুরপথে ট্যাক্স হ্যাভেন বা কর ফাঁকির স্বর্গরাজ্য ‘কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ’ পাঠানো হত। এও অভিযোগ, অবৈধ অর্থের উৎস লুকাতে ২০২৩ সালে ওখানকার একটি শেল কোম্পানি থেকে ১৭ লক্ষ মার্কিন ডলারের ঋণ দেখিয়েছিল কেয়ারওয়েল। এসব তথ্য সামনে আসায় তা অস্ত্র হিসেবে হাতে তুলে নিয়েছে ‘আসল’ তৃণমূলের ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন তিনি। এমনকী বিধায়ক কুণাল ঘোষও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। ঋতব্রতর সুরে সুর মিলিয়ে তিনিও যথাযথ তদন্তের দাবি করেছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.