ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে ছেড়েছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ পদ। এবার সেই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ সুখেন্দুশেখর রায় (Sukhendu Sekhar Roy) যোগ দিলেন বিজেপিতে। বৃহস্পতিবার সল্টলেকে রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে গিয়ে আরও দুই পদত্যাগী তৃণমূল সাংসদ – প্রকাশ চিক বরাইক(Prakash Chik Baraik), সুস্মিতা দেবও (Sushmita Dev) পদ্মশিবিরে যোগদান করেছেন। তাঁদের সঙ্গে একান্ত বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে এই ঘোষণা করেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ফের ব্যাখ্যা দেন ‘ভালো তৃণমূল’ মন্তব্যের। এবার কি তাঁদের রাজ্যসভার টিকিট দেবে বিজেপি? এই জল্পনা আরও জোরাল হয়ে উঠেছে। সেক্ষেত্রে ফের তিনজনকে রাজ্যসভায় দেখা যাবে, তবে পদ্ম-প্রতীকে।
গতমাসে পরপর তিন তৃণমূল সাংসদের পদত্যাগের জেরে রাজ্যসভায় উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ২৪ জুলাই ভোট। সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে এবার তিনটি আসনই বিজেপির দখলে যেতে বসেছে। কারণ, বিধায়ক সংখ্যা এবং তৃণমূল শিবিরে ভাঙনের জেরে ঘাসফুল শিবির প্রার্থীই দিতে পারবে না। তার ভিত্তিতেই তিনটি আসন বিজেপির দখল করার কথা। বিজেপি কাদের প্রার্থী করবে, তা নিয়ে এই মুহূর্তে সরগরম রাজনৈতিক মহল। এমন সময়ে সুখেন্দুশেখর, সুস্মিতা ও প্রকাশের বিজেপি সদর দপ্তরে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্যর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করলেন।
আরও পড়ুন:

গতমাসে পরপর তিন তৃণমূল সাংসদের পদত্যাগের জেরে রাজ্যসভায় উপনির্বাচন হচ্ছে। আগামী ২৪ জুলাই ভোট। সংখ্যাতত্ত্বের নিরিখে এবার তিনটি আসনই বিজেপির দখলে যেতে বসেছে। কারণ, বিধায়ক সংখ্যা এবং তৃণমূল শিবিরে ভাঙনের জেরে ঘাসফুল শিবির প্রার্থীই দিতে পারবে না। তার ভিত্তিতেই তিনটি আসন বিজেপির দখল করার কথা। বিজেপি কাদের প্রার্থী করবে, তা নিয়ে এই মুহূর্তে সরগরম রাজনৈতিক মহল। এমন সময়ে সুখেন্দুশেখর, সুস্মিতা ও প্রকাশের বিজেপি সদর দপ্তরে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্যর হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করলেন।

সাংবাদিক বৈঠকে শমীকবাবু জানান, ‘‘তৃণমূল ছেড়ে তিনজন – সুখেন্দুশেখর রায়, ভাই প্রকাশ চিক বরাইক ও সুস্মিতা দেব আজ আমাদের সঙ্গে বিজেপিতে যোগদান করলেন। মোদির নেতৃত্বে গোটা দেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে শামিল হতে চেয়েই তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলেন। আমরা আগেই বলেছিলাম, যারা চাকরি বিক্রি করেছে, দুর্নীতিতে জড়িত, তাদের জন্য বিজেপির দরজা বন্ধ। এঁদের কারও বিরুদ্ধে এমন কোনও অভিযোগ নেই। সকলের একটা অতীত থাকে। এখন আর তাঁদের দলত্যাগী বলবেন না। তাঁদের একটাই পরিচয়, সকলে বিজেপি।” সুখেন্দুশেখর রায় জানান, ‘‘আর জি কর আন্দোলনের সময়ে যখন গোটা দেশ রাস্তায় নেমে গিয়েছিল, তখনই তৃণমূলের বুঝে যাওয়া উচিত ছিল যে বিপদঘণ্টা বেজে গিয়েছে। বামেরা শিল্পে খরা করে গিয়েছে। তারপর তৃণমূল এসেও কিছু হয়নি। বাম আমল দেখেছি, কংগ্রেস আমলও দেখেছি। এখন বিজেপিকে একবার সুযোগ দেওয়া উচিত।”
উল্লেখ্য, সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধা জানাতে কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যের মন্ত্রীদের সঙ্গে আলিপুরের ‘সৌজন্য’ প্রেক্ষাগৃহে তাঁর বৈঠক চলাকালীন সুখেন্দুশেখর রায় দেখা করতে যান। সূত্রের খবর, শাহের সঙ্গে আলাদা করে কথাও বলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। সেসময়ই তাঁর দলবদল নিয়ে জল্পনা উসকে উঠেছিল। আর বৃহস্পতিবার তৃণমূলের প্রাক্তন তিন সাংসদ বিজেপির সদর দপ্তরে গিয়ে সেই জল্পনা সত্যি করে দিলেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘মুক্তোমনা হও তবে…’, কেতন হত্যাকাণ্ডের পর তরুণপ্রজন্মকে সতর্কবাণী কঙ্গনার
-
‘চূড়ান্ত হতাশ’, চিরতরে বিশ্বকাপ দেখা বন্ধ করছেন দেবের নায়িকা ইধিকা!
-
ঘরে ফিরে নবজাতকের মুখদর্শন, যন্ত্রণায় প্রলেপ বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ হওয়া দানিশের, কী বলছেন সুইটি?
-
কাল থেকে টানা ৬০ ঘণ্টা বন্ধ চিংড়িঘাটা উড়ালপুল! আচমকা কেন এমন নির্দেশিকা কলকাতা পুলিশের?
-
আইসিসি হল অফ ফেমে সৌরভ, ‘পার্টনার’কে আবেগঘন বার্তা শচীনের