সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমফানের (Amphan) ত্রাণে দুর্নীতিতে বারবার নাম জড়িয়েছে শাসকদলের নেতা-কর্মীদের। সেইসঙ্গে প্রশাসনিক আধিকারিকদের দিকেও আঙুল উঠেছে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার বিডিও, এসডিও ও এডিএমদের উপর নজরদারির সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
জানা গিয়েছে, বিডিও, এসডিও ও এডিএমদের প্রতিদিনের কাজের খতিয়ান আসবে নবান্নে। সেগুলি দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাতে কোনও গড়মিল থাকলেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপে খুশি সাধারণ মানুষ। কারণ, বিরোধীদের মতোই দুর্নীতির পিছনে প্রশাসনিক আধিকারিকদের যোগ করেছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
[আরও পড়ুন: পরিকাঠামো থাকলেও বালিতে বন্ধ ৩টি হাসপাতাল, চিকিৎসা চালুর দাবিতে সরব বিধায়ক]
প্রসঙ্গত, আমফানের ত্রাণ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। কোথাও ক্ষতিগ্রস্তরা প্রাপ্যের তুলনায় কম ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। কোথাও আবার তাঁদের প্রাপ্তির ভাঁড়ার শূন্য। সেই কারণেই দ্বিতীয় দফায় ক্ষতিপূরণের আবেদনের সুযোগ দিয়েছল রাজ্য সরকার। ৬ ও ৭ আগস্ট স্থানীয় SDO বা BDO অফিসে আবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য হয়েছিল। আর এই দু’দিনেই পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনা–এই ছয় জেলা মিলিয়ে ৫ লক্ষ ৬০ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। জানানো হয়েছে, তালিকার আপাদমস্তক খতিয়ে দেখে তবেই তা ১৪ আগস্ট জেলাশাসকের দপ্তর, বিডিও এবং পুর অফিসে প্রকাশ করা হবে। ঝাড়াই বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা ১৯ আগস্ট “এগিয়ে বাংলা” ওয়েবসাইটেও দেওয়া হবে।
[আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়ায় যৌন হেনস্তার হুমকি! বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের তরুণীর]
সর্বশেষ খবর
-
সীমান্তে সংঘাতের মাত্রা কমতেই কাছাকাছি ভারত-চিন, জয়শংকরের মন্তব্যে দুশ্চিন্তা বাড়বে আমেরিকার!
-
মুখ্যমন্ত্রীর দাবিতেই সিলমোহর হাই কোর্টের! কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হানা দেয় মমতার পুলিশ
-
জীতু গোপনাঙ্গ স্পর্শ করতেই কেন চিৎকার-ভাঙচুর? লাফটারসেন বললেন, ‘ছেলেবেলায় বারবার যৌন হেনস্তা শিকার হয়েছি’
-
জাতীয় সুরক্ষা আইনে গ্রেপ্তারি খারিজ, সম্ভল হিংসায় সুপ্রিম কোর্টে জরিমানা উত্তরপ্রদেশের
-
দূরত্ব বাড়লেও একটা কারণে আজও কোহলির ‘ফ্যান’, কেরিয়ার সায়াহ্নে স্বীকারোক্তি রোহিতের