সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট আনন্দপ্রাণা মাতাজি। মঙ্গলবার সকালে ১০ টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বরে সারদা মঠের সদর দপ্তরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর। এদিন সকালে সারদা মঠের তরফে তাঁর প্রয়াণের খবর জানানো হয়েছে। প্রব্রাজিকা আনন্দপ্রাণা মাতাজির প্রয়াণে শোকস্তব্ধ তাঁর অগণিত শিষ্যা, অনুগামীরা।

প্রব্রাজিকা আনন্দপ্রাণার জন্ম কলকাতায় (Kolkata), ১৯২৭ সালে। আধ্যাত্মিকতায় আগ্রহী আনন্দপ্রাণা বেলুড় মঠ ও মিশনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট স্বামী শংকরানন্দর কাছে দীক্ষা নিয়েছিলেন। বাগবাজারের (Bagbazar) নিবেদিতা গার্লস হাইস্কুল থেকে কর্মজীবন শুরু হয়। সেটা ছিল ১৯৫৭ সাল। বাগবাজারের নিবেদিতা গার্লস হাইস্কুলের দায়িত্বে থাকাকালীন ২০১৭ সালে ট্রাস্টি নির্বাচিত হন। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে বসেন আনন্দপ্রাণা। তিনি ছিলেন সারদা মঠের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট।
[আরও পড়ুন: মহিলাদের চা চক্রে হিন্দি গান! প্রচারে অন্য মেজাজে দিলীপ ঘোষ]
মঙ্গলবার সকালে ৯টা ৫৪ নাগাদ দক্ষিণেশ্বরে (Dakshineswar) সারদা মঠের সদর দপ্তরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আনন্দপ্রাণা মাতাজি। অভিভাবকহীন হলেন তাঁর অগণিত শিষ্যা। সোশাল মিডিয়ায় তাঁরা সকলে শোকপ্রকাশ করে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন। আপাতত অভিভাবকহীন সারদা মঠও। পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি মঠ।
[আরও পড়ুন: ভোটের মুখে রেখা পাত্র-সহ ৬ বিজেপি প্রার্থী পাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা]
উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের (Ramkrishna Mission) প্রেসিডেন্ট নবতিপর স্বামী স্মরণানন্দজি প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর জায়গায় এখন নতুন প্রেসিডেন্ট মহারাজ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গৌতমানন্দজি। তার কয়েকদিনের মধ্যেই এবার সারদা মঠ ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট আনন্দপ্রাণা মাতাজির প্রয়াণ সংবাদ মিলল।
সর্বশেষ খবর
-
৯ ঘণ্টা লোডশেডিং, রাত ৮টায় বন্ধ দোকান-বাজার, আলোর খোঁজে ভারতের দ্বারস্থ অন্ধকার বাংলাদেশ!
-
‘যন্তর মন্তরে শাবানাজির মতো জেন জি’রা ছিলেন!’ ‘নর্দমার প্রজন্ম’র পর ফের বিস্ফোরক কঙ্গনা
-
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জাহাজের ধাক্কায় নূরপুরে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত শুরু
-
মেসি পেরেছে, রোহিত-বিরাট কেন নয়? বিশ্বকাপের আগে গম্ভীরকে ‘চ্যালেঞ্জ’ বিজেপি সাংসদের
-
নেতাজি কি যুদ্ধাপরাধী! ঠিক কী বলেছিলেন নেহরু? ‘অনন্ত’ বিতর্কের মাঝে ব্যাখ্যা গবেষকদের