Suvendu Adhikar

দালাল চক্র, রেফারে জিরো টলারেন্স, নজরদারি চালাতে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু মুখ্যমন্ত্রীর

কন্ট্রোল রুমে নজরদারি চালাতে পেশাদার লোক নিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ১২:৪৮

options
link
দালাল চক্র, রেফারে জিরো টলারেন্স, নজরদারি চালাতে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু মুখ্যমন্ত্রীর
ফাইল ছবি।

দালাল চক্র, মুমূর্ষু রোগী রেফার রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নিল রাজ্য সরকার। এই নিয়ে নজরদারি চালাতে স্বাস্থ্য ভবনে একটি কন্ট্রোল রুম চালু করার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২৪ ঘণ্টার জন্য এই কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে জেলা হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে সরাসরি নজর রাখা হবে। হাসপাতালে দালাল চক্র চলছে কি না, চিকিৎসক রয়েছেন কি না, রোগীরা পরিষেবা পাচ্ছেন কি না, হাসপাতালে কুকুর, বেড়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে কি না, হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রয়েছে না তা এবার থেকে কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সরাসরি দেখবে সরকার। এরজন্য পেশাদার লোক নিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে একটি হাসপাতালেও যাতে রেফার না হয় সেই কারণে সমন্বয়ের কাজ করছে সরকার। বিভিন্ন সময়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বেসরকারি হাসপাতালগুলি এক টাকায় জমি নিয়েছেন। রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে অতিরিক্ত চাপ হলে এই সব বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগী পাঠানো হবে। এর জন্য ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড থাকবে। সরকারি হাসপাতাল থেকে পাঠানো অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া রোগীদের পরিষেবা দিতে বাধ্য থাকবে সেই সব বেসরকারি হাসপাতালগুলি। এছাড়াও দালাল চক্র, রোগী রেফার সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আর্জি জানান মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এক মুমূর্ষু রোগীকে রেফার করার জন্য এক এমএসভিপিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Advertisement

শুভেন্দু আরও জানান, এবছর থেকে পশ্চিমবঙ্গে ন্যাশনাল হেলথ মিশন কার্যকর হচ্ছে। ন্যাশনাল হেলথ মিশনের আওতায় রাজ্য়ের জন্য ২১০৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে ভারত সরকার। এর মধ্যে ৫২৭ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার পেয়ে গিয়েছে। আয়ুষ্মান ভারতের জন্য এবছর ৯৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে রাজ্য। ১ কোটি ৩৬ লক্ষ পরিবারের প্রায় ৬ কোটিরও বেশি মানুষকে পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। গোটা ভারতে এই সুবিধা পাবেন রাজ্যবাসী। পরিযায়ী শ্রমিকরাও আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ‘যুগান্তকারী’ বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, হাসপাতালগুলির নাম হবে আয়ুষ্মান মন্দির। ৪৬৭টি প্রধানমন্ত্রী জনওষুধি কেন্দ্র চালু হতে চলেছে। আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিম বর্ধমানেও মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হবে। এই চার জেলায় মেডিক্যাল কলেজ নেই। কোনও জেলা যাতে মেডিক্যাল কলেজের সুবিধায় থেকে বঞ্চিত না থাকে সেই কারণে এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.