রাজনীতির ময়দানে পা দিয়েছেন সদ্যই। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে প্রথমবার বক্তৃতা দিলেন অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো রাজবংশী ভাষায় বক্তব্য রাখেন। এসআইআর ইস্য়ুতে কমিশনকে তোপও দাগেন তিনি।
আরও পড়ুন:
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার তৃণমূল ভবনে ঘাসফুল শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন স্বপ্না। ঠিক তার তেরো দিনের মাথায় তৃণমূলের মঞ্চে অ্যাথলিট। প্রথবার বক্তব্য রাখার সুযোগ পাওয়ায় ‘দিদি’কে শুভেচ্ছা জানান তিনি। বলেন, “আমি তৃণমূলে যোগ দিয়েছি ১৩ দিন হল। প্রথমবার এত বড় মঞ্চে বলতে দেওয়ার যে সুযোগ দিয়েছেন দিদি, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।” মমতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে কমিশনকে তোপ দাগেন স্বপ্না। বলেন, “বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষা করার জন্য এখানে এসেছি। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের নাম কাটার চক্রান্ত করছে। বাংলার মানুষ তা কিছুতেই মেনে নেবেন না। এটা শুধু মানুষের উপর অত্যাচার নয়। পুরো গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। সবাই মিলে দিদির হাত শক্ত করব। ছাব্বিশের নির্বাচনে যাতে আরও ভালো ফল হয়।”
এর আগে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ধরনা মঞ্চের পঞ্চম দিনে রং-তুলিতে প্রতিবাদের সুর চড়ান মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুললেন ‘ভ্যানিশ কুমার’কে। বলে রাখা ভালো, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে কটাক্ষ করেন। ছবি আঁকার পর মমতা বলেন, “এই ছবিটা প্রতীকী। আমাদের শিল্পীরা আঁকছেন। এসআইআরে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, মানে সমস্ত ডেডবডিগুলি ভ্যানিশ করে দিয়েছে, সেজন্য পাশে দুটো মালা রাখা, যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের উদ্দেশে শ্রদ্ধার্ঘ্য দিয়ে মালাগুলি রাখা আছে। এটা প্রতীকী। অন্য কিছু নয়।” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে দলের অন্যান্য নেতা-নেত্রীর সম্মতিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবস্থান প্রত্যাহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “ধরনা আপাতত তুলে নেওয়া হল।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘ভাইয়ের গ্রেপ্তারির পর অপমানে বাবা দূরে চলে যান’, আইনে আস্থা রেখে বলছেন নির্মলকন্যা
-
কৃষ্ণনগরের বুড়িমার প্রণামী-গয়নাগাটি ‘আত্মসাৎ’, কাঠগড়ায় ধৃত প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর
-
‘জেন জি-জেন আলফা শব্দগুলো ভারতীয় সংস্কৃতি নয়’, ‘লক্ষ্মণ’ সুনীলের মন্তব্যে কটাক্ষের ঝড়
-
এবার বিশ্বভারতীতেও ‘ককরোচ’দের তাণ্ডব! দুর্নীতির পোস্টারে ছেয়ে গেল ক্যাম্পাস চত্বর
-
স্বাধীনতা দিবস স্পেশাল ডিপিতে দেশাত্মবোধের ছোঁয়া চাই? এআইকে এই ৫ প্রম্পট দিলেই কেল্লাফতে!