Tarek Fatah

বাংলাদেশের মুসলিমদের মিছিলের ভিডিও কলকাতার বলে টুইট, আইনি বিপাকে তারেক ফাতেহ

তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছে কলকাতা পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২০, ১৮:২৬

options
link
বাংলাদেশের মুসলিমদের মিছিলের ভিডিও কলকাতার বলে টুইট, আইনি বিপাকে তারেক ফাতেহ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিতর্কে জড়ালেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান লেখক তারেক ফাতেহ (Tarek Fatah)। এবার তিন বছর আগের বাংলাদেশের (Bangladesh) একটি ভিডিও কলকাতার বলে দাবি করে টুইট করেন তিনি। যার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। ধর্মীয় উসকানিমূলক ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কাতারে কাতারে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলেছেন। তার মধ্যেই মাইকে বাজছে ‘ইসলাম জিন্দাবাদ’। আর তাতে গলা মিলিয়ে গাইছেন সবাই। সেই ভিডিও টুইট করে তারেকের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলায় খাস কলকাতায় ধর্মোন্মাদরা রাজপথের দখল নিয়েছেন। এই ভিডিওটি ফেক বলে দাবি করে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটছে কলকাতা পুলিশ।

Advertisement

যদিও পরে টুইটটি ডিলিট করেছেন তারেক। কিন্তু শুক্রবার সকালে এই ভিডিও টুইট করার পর সেটি ভিউ হয় প্রায় ২.৪০ লক্ষ। লাইক পড়ে সাড়ে এগারো হাজার। কিন্তু অনেকেই টুইটে কমেন্ট করে তারেককে অবগত করেন, এটি কলকাতার ভিডিও নয়, বাংলাদেশের। তখন নিজের ভুল বুঝতে পেরে টুইটটি ডিলিট করে দেন লেখক। তবে কলকাতা পুলিশের নজরে পড়েছে তারেকের কীর্তি। কলকাতা পুলিশের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে তারেকের টুইটের স্ক্রিনশট পোস্ট করে ভিডিওটি ভুয়ো বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভিডিও কলকাতার বলে মিথ্যা প্রচার করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ডিভোর্সের মামলা না লড়ায় ক্ষোভ, আইনজীবীর নগ্ন ছবি ফেসবুকে পোস্ট মহিলার]

এমনটা প্রথম নয়, আগেও বহুবার ভুয়ো ভিডিও ও ছবি টুইট করে বিপাকে পড়েছেন তারেক ফাতেহ। অনেকেই তাঁকে এসব কাজে সিদ্ধহস্ত বলেন। পরে ভুল বুঝতে পেরে তিনি সরিয়েও দেন সেইসব পোস্ট। কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে যায়। এদিনও এমনটাই হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.