Kunal Ghosh

এনসিপিআই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কুণাল! ‘স্ক্রিনশট নিয়েছি’, বোমা তৃণমূল বিধায়কের

প্রশ্ন উঠছে, 'কালীঘাট তৃণমূলে'র একনিষ্ঠ সৈনিকও কি তবে শিবির বদল করছেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৮:৩১

options
link
এনসিপিআই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কুণাল! ‘স্ক্রিনশট নিয়েছি’, বোমা তৃণমূল বিধায়কের
কুণাল ঘোষ। নিজস্ব চিত্র

এনসিপিআইয়ের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বুধবার নিজেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক তথ্য জানান। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের একাধিক স্ক্রিনশট তাঁর কাছে রয়েছে বলেই দাবি বিধায়কের। স্বাভাবিকভাবেই কুণালের দাবি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জোর চাপানউতোর। প্রশ্ন উঠছে, ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র একনিষ্ঠ সৈনিকও কি তবে শিবির বদল করছেন? সে প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

কুণাল বলেন, “এনসিপিআই কমিটি আর নকুলদানার ক্যাশমেমো একই। এনসিপিআইয়ের একটি গ্রুপে আমাকে অ্যাড করেছে অনেকদিন। আমি ওদের সব কথোপকথন দেখতে পাই।”

এদিন কুণাল বলেন, “এনসিপিআই কমিটি আর নকুলদানার ক্যাশমেমো একই। এনসিপিআইয়ের একটি গ্রুপে আমাকে অ্যাড করেছে অনেকদিন। আমি ওদের সব কথোপকথন দেখতে পাই। জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাকে অ্যাড করলেন কেন? বলল অনেকগুলো খারাপ লোক আসছে এগুলোকে সামলাতে পারব না। মাঝেমধ্যে আপনার থেকে পরামর্শ নেব।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে কি এনসিপিআইয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন কুণাল? তৃণমূল বিধায়কের জবাব, “ভালোবেসে গ্রুপে অ্যাড করেছে। আমিও বেরইনি। ধোপার বাড়ি যাওয়া ২০ জন যখন বলল এনসিপিআইতে আছি, তারা গ্রুপ তৈরি করেছে। একদিন সকালে দেখলাম গ্রুপে অ্যাড করা হয়েছে। গতিবিধি দেখে অ্যাডমিনকে ফোন করলাম। বলল আপনি তো সাংবাদিকও। তাই আপনাকে অ্যাড করে রাখলাম। ভালোবেসে একটা দল তৈরি করেছিলাম। আর সেখানে বিষ মাল এসেছে। তাই আপনাকে গ্রুপে অ্যাড করে রাখলাম।”

Advertisement

বলে রাখা ভালো, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে দলের ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছিলেন ২০ জন সাংসদ। যোগ দেন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে। তাঁরা এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথা জানান। সেইমতো সংসদে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়দের আসন অদলবদলও হয়। কিন্তু এখনও এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে তাঁরা কেউ স্বীকৃতি পাননি। এনিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে আর্জি জানান তাঁদের নিয়ে যেন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাতে সাড়া না পেয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ২০ সাংসদকে নোটিস পাঠিয়ে তাঁদের জবাব তলব করেছিলেন স্পিকার। ১ তারিখের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু আরও খানিকটা সময় চেয়েছিলেন সুদীপ, কাকলিরা।

এর মধ্যেই জাতীয় কমিটি গঠন করল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই। যেখানে নাম রয়েছে তৃণমূলের সাতজন বিদ্রোহী সাংসদের। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রকাশিত তালিকায় নাম নেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। এমনকী নাম নেই শতাব্দী রায়েরও। তারই মাঝে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের দাবি ঘিরে জোর চাপানউতোর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.