জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ল

দীর্ঘকাল রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, সল্টলেকে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল জলের ট্যাঙ্ক

দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর নেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০২০, ১৩:২৫

options
link
দীর্ঘকাল রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, সল্টলেকে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল জলের ট্যাঙ্ক

কলহার মুখোপাধ্যায়, বিধাননগর: বাঁকুড়ার দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি সল্টলেকে। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল বহু পুরনো একটি জলের ট্যাঙ্ক। যদিও ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। দীর্ঘকাল ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ট্যাঙ্কটি ভেঙে পড়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান দমকল বিভাগের কর্মীরা। বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ এবং পুরনিগমের একটি প্রতিনিধিদলও ঘটনাস্থলে গিয়েছে বলে খবর।

Advertisement

সল্টলেক সিটি সেন্টারের কাছে বিধাননগর সিসি ব্লকের পিএনটি আবাসন। বিএসএনএল কর্মীদের জন্য এই আবাসন একসময়ে জমজমাট থাকলেও, গত ৫ বছর ধরে আবাসনের অবস্থা এতটাই ভগ্নপ্রায় যে অধিকাংশ বাসিন্দাই চলে গিয়েছেন অন্যত্র। আবাসনটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল বিএসএনএলই। এমনই একটি আবাসনে বৃহস্পতিবার সকালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে একটি জলের ট্যাঙ্ক, যার ধারণ ক্ষমতা ৩৩০০০ গ্যালন। তাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আবাসনটিতে। যে ক’জন বাসিন্দা এই মুহূর্তে আবাসনটিতে রয়েছেন, তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘকাল ধরে এই আবাসনের রক্ষণাবেক্ষণ হয় না। সেই অবহেলাতেই ট্যাঙ্কটি ভেঙে পড়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পুরভোটে প্রার্থী হতে দেড় হাজার বায়োডেটা জমা, তালিকা চূড়ান্ত করতে হিমশিম বিজেপি]

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সিটি সেন্টারের কাছে বিএসএনএলের আবাসনটিতে যায় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ, দমকল বিভাগের কর্মীরাও। তাঁরা ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজে হাত লাগান। ট্যাঙ্ক ভাঙার কারণে আবাসনের কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই ট্যাঙ্ক রক্ষণাবেক্ষণের কোনও দায়িত্বই ছিল না বিধাননগর পুরনিগমের। তা সত্ত্বেও এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানো হচ্ছে পুরনিগমের তরফে। 

Advertisement

জানুয়ারি মাসে নির্মাণের বছর দুয়েকের মধ্যেই বাঁকুড়ার খাতড়া পিডব্লুডি’র একটি জলের ট্যাঙ্ক এভাবেই ভেঙে পড়েছিল। যা নিয়ে সেসময় রাজ্য রাজনীতি বেশ সরগরম হয়ে উঠেছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নির্মাণকারী সংস্থাকে কড়া হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয় যে সেতুগুলির পর ট্যাঙ্কগুলিরও স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে। কিন্তু তাতে যে টনক নড়েনি, সিসি ব্লকের ট্যাঙ্ক ভাঙাই তার প্রমাণ।

[আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে দুর্ঘটনায় মৃত শিশুর কফিনবন্দি দেহ ফিরল কলকাতায়, শোকস্তব্ধ পরিবার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.