পুজোর সময় আমিষ-নিরামিষ খাবার নিয়ে চলছে তুমুল চর্চা। তার মাঝে শনিবার আরও একবার বাঙালিদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তাঁর সোজাসাপ্টা বক্তব্য, “বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে।”
আরও পড়ুন:
এদিন গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবার কথা বলেন শুভেন্দু। দিনকয়েক আগে হাওড়ার লিলুয়ায় আসেন তিনি। বাগেশ্বর বাবার বক্তব্য, “ওরা পিঁয়াজ খায়। আবার ধার্মিক বলে। বাংলায় থাকা হিন্দুরা জেগে উঠুন। আমার কিছু এমন লোকজনের সঙ্গে দেখা হয়েছে যারা মদ্যপান করেন কিনা জিজ্ঞেস করলে বলেন, হ্যাঁ খাই। হনুমানজির দিন বলে মঙ্গলবার খাই না। কেন? মঙ্গলবার ছাড়া অন্য দিন কী হনুমানজি ছুটিতে থাকেন?” বঙ্গবাসীর কাছে তাঁর আর্জি, “আমি বলব এবার পুজোয় সব হিন্দুরা জেগে উঠুন। যারা আমিষ খায় তাদের বহিষ্কার করা হোক। ওরা মোটেও ধার্মিক নয়। পাখণ্ডী।” এই ‘পাখণ্ডী’ শব্দের অর্থ ভেকধারী।
বাগেশ্বর বাবার আমিষ ফতোয়া ঘিরে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। কারও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কেউ জোর করে কিছু বলতে পারেন না বলেই দাবি করেন অনেকে। তুমুল চর্চার মাঝে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো থেকে বাগেশ্বর বাবার দাবি, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, “পুজোয় আমিষ খেতে বারণ করার আমি কে? আমার বলিপ্রথা ভালো লাগে না। আর ধার্মিক হিসেবে মণ্ডপে মাছ-মাংস খেতে বারণ করেছি।” সে প্রসঙ্গেই এদিন শুভেন্দু বলেন, “কিছুদিন আগে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বাগেশ্বরধাম মহারাজ লিলুয়াতে এসেছিলেন। লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল।” আমিষ বিতর্ক নিয়ে তিনি আরও বলেন, “মাছ দিয়ে মাঠে প্রসাদ দিতে হয় সেটাও বাঙালিরা জানে আবার কোন দিন নিরামিষ গ্রহণ করে পুষ্পাঞ্জলি দিতে হয়। সেটাও বাঙালিরা জানে।” বাগেশ্বর বাবাকে সমর্থন করেন না বলেই সাফ জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, লকেট চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পালও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এনসিপিআই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে কুণাল! ‘স্ক্রিনশট নিয়েছি’, বোমা তৃণমূল বিধায়কের
-
সারা বছর ফিট, পুজোর ডায়েট প্ল্যানে ‘বেহিসেবি’ হতে চান ফেলুদা ‘টোটা’!
-
বয়স ছুঁয়েছে আশি, তবু তুলির আঁচড়ে চালচিত্রে শিল্প গড়েন রেবা পাল
-
বারাকপুরের ‘দাদা বউদি’তে ঘুরে বেড়াচ্ছে ইঁদুর! প্রতিবাদ করায় ম্যানেজারের দাবি, ‘হতেই পারে’, কী বলছে রেস্তরাঁ?
-
ভোটে নেই তৃণমূল! ৪ লাখ ঘাসফুল পতাকা ছাপিয়ে হাহাকার করছেন হাওড়ার রাজু