ফিটনেস নিয়ে টোটা রায়চৌধুরীর (Tota Roy Chowdhury) নিষ্ঠা কারও অজানা নয়। নিয়মিত শরীরচর্চা, নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের ফিটনেস নিয়ে সচেতনতা, সবটাই তাঁর জীবনের অংশ। কিন্তু পুজো এলে সেই কঠোর হিসাবনিকাশে পড়ে যায় ছেদ। দেবীপক্ষের কয়েকটা দিন খাবার নিয়ে কোনও বিধিনিষেধ রাখতে নারাজ অভিনেতা। বরং ছোটবেলার পছন্দের এগ-চিকেন রোল থেকে ফুচকা, পুজোর স্বাদ চেটেপুটে উপভোগ করতে তাঁর আপত্তি নেই।

আরও পড়ুন:
পুজোর সঙ্গে এগ-চিকেন রোলের সম্পর্ক টোটার বহু দিনের। ছোটবেলা থেকেই এই খাবার তাঁর পুজোর আনন্দের অংশ। অভিনেতার কথায়, “পুজোর সময় এগ-চিকেন রোল একদম শৈশব থেকে খেয়ে আসছি। ওটা ছাড়া আমার পুজো ইনকমপ্লিট।” তাই পুজোর ক’দিনের খাবারের তালিকায় রোল থাকবেই। সঙ্গে থাকবে ফুচকা এবং আরও নানা পছন্দের খাবার। পরিবারের সঙ্গেও একদিন বাইরে লাঞ্চে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
সারা বছর ফিট থাকার জন্য যতই নিয়ম মেনে চলুন, পুজোর সময় অবশ্য ডায়েটের হিসাব করতে চান না টোটা। মহালয়া থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত তাঁর কোনও ডায়েট নেই। তাঁর কথায়, “যা ইচ্ছে, যা প্রাণ চায় তাই খাই।” অর্থাৎ, সারা বছরের ফিটনেস রুটিনের মাঝে পুজোর কয়েকটা দিন নিজের জন্যই রাখতে চান অভিনেতা।

আমিষ-নিরামিষ খাওয়া নিয়েও যখন নানা চর্চা চলছে, টোটা সেই বিতর্কে বিশেষ আমল দিতে নারাজ। তাঁর সাফ কথা, “চর্চা অনেক কিছু নিয়ে চলতে পারে, বাঙালিকে আটকাতে পারবে কী?” যাঁরা এই নিয়ে বলছেন, তাঁদের কথাও ধর্তব্যের মধ্যে আনছেন না তিনি।
বরং নিজের পুজোর খাওয়াদাওয়া নিয়ে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট। মহালয়া থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত অষ্টমী বাদ দিয়ে দু’বেলা আমিষ খাবেন। তাঁর চ্যালেঞ্জ, “কেউ যদি আটকাতে পারে, আটকাক।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলাতেও হোক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর, আর্জি শমীকের
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের