পুজো মানেই খাওয়ার টেবিলেও একটু উৎসব। ভোগের খিচুড়ি থেকে কষা মাংস, মিষ্টি থেকে ধোঁয়া ওঠা বিরিয়ানি, উৎসবের স্বাদ যেন ছড়িয়ে থাকে চারপাশে। তবে সেই স্বাদের মাঝেও শরীর নিয়ে সচেতন থাকা যায়। অন্তত অভিনেতা জিতু কমলের ভাবনাটা তেমনই। এমনিতেই ফিট তিনি। তাই পুজো এলেই খাবারের সামনে নিষেধের দেওয়াল তুলে দেওয়ার পক্ষপাতী নন। তাঁর কাছে ডায়েট মানে না খেয়ে থাকা নয়, বরং ঠিকঠাক খাওয়া।
জিতুর কথায়, “খুব যে ডায়েট মেনে চলি, তা নয়। ডায়েট মানে তো না খেয়ে থাকা নয়, ঠিকঠাক খাওয়া। সারা বছরও এমন কিছু মেনে চলি না। যেটা ভালো লাগে, সেটাই খাই।”

তাঁর ভালো লাগার খাবারের তালিকায় রয়েছে মটন বিরিয়ানি। পুজোর চার-পাঁচ দিনেই শুধু নয়, বিরিয়ানির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা সারা বছরের। মাঝেমধ্যে নিজের পছন্দের খাবারটা খেয়ে নেন। তাই পুজোয় একদিন মটন বিরিয়ানি হলে তাতে বিশেষ হিসেবের কী-ই বা আছে!
তাঁর কথায়, “পুজোর সময় একদিন মটন বিরিয়ানি খাই। তবে এমন নয় যে শুধু পুজোর সময়ই খাই, মাসে একবার হলেও খাওয়াই হয়।” জিতুর ডায়েট খাবারকে ভয় নয়, উপভোগ করা। আবার শরীরের কথাও ভুলে যাওয়া নয়। সারা বছর যদি নিজের যত্ন নেওয়া যায়, তবে উৎসবের কয়েকটা দিন পছন্দের খাবারের স্বাদ নেওয়ায় অপরাধবোধের জায়গা কোথায়?
View this post on Instagram
কারণ পুজো তো আনন্দেরই নাম। ঢাকের তালে মন নাচবে, আলোর নিচে রাত বাড়বে, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা জমবে, আর কোনও এক সন্ধ্যায় টেবিলে এসে হাজির হবে এক প্লেট মটন বিরিয়ানি। সেই স্বাদটুকুও তো উৎসবেরই অংশ।
জিতু কমলের কাছে তাই পুজোর ডায়েট কোনও বারণের গল্প নয়। বরং ফিটনেস আর পছন্দের খাবারের মধ্যে একটা সুন্দর ভারসাম্য রেখে উৎসবকে নিজের মতো করে উপভোগ করার গল্প।
সর্বশেষ খবর
-
ঝাড়খণ্ডের ব্যবসায়ী খুনে চাঞ্চল্যকর মোড়! লোকেশনের তথ্য দিতেন কলকাতার ট্রাফিক সার্জেন্ট
-
উদয়পুর-তালসারির বনাঞ্চলে ওরাংওটাং উদ্ধারে দিঘা যোগ, হোটেল থেকে আটক ৩
-
‘বিগ বস বাংলা’য় দ্বিতীয় ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি জীতু কমল, ‘রোমিও’ রাজবীর কি এবার চ্যালেঞ্জের মুখে?
-
বাঁকুড়া পুলিশের নেতৃত্বে ঝাড়খণ্ডে মাওবাদীদের ‘ডেরা’য় যৌথ অভিযান, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র-গুলি
-
আফগান সিরিজের আগে অনুশীলনে চোট ঈশানের! ‘ছুটি’ অভিষেকের, চিন্তা বাড়াল বৈভবও