CV Ananda Bose

ভোটের মুখে পদত্যাগ রাজ্যপাল আনন্দ বোসের, কারণ ঘিরে জল্পনা

শোনা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে রাজ্যপাল দিল্লিতে রয়েছেন। সেখানেই তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা করেছেন। পরবর্তী পদক্ষেপ কী, এবিষয়ে মুখে কুলুপ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৫:৫৮

options
link
ভোটের মুখে পদত্যাগ রাজ্যপাল আনন্দ বোসের, কারণ ঘিরে জল্পনা
প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ফাইল ছবি

বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যের সাংবিধানিক ক্ষেত্রে বড়সড় মোড়। ইস্তফা দিলেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose )। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আচমকাই এই খবর ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে এনিয়ে খটকা থাকলেও পরে জানা যায়, খবর খাঁটি সত্যি। বাংলার সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন আনন্দ বোস। এই মুহূর্তে তিনি দিল্লিতে রয়েছেন। সেখানেই পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা। ওয়াকিবহাল মহলে কারণ নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এই সিদ্ধান্ত তাঁর নিজের নয়, কোনও চাপে পড়েই পদত্যাগ করেছেন আনন্দ বোস। 

Advertisement

ইস্তফা দিলেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আচমকাই এই খবর ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে এনিয়ে খটকা থাকলেও পরে জানা যায়, খবর খাঁটি সত্যি। বাংলার সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে নিজের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন আনন্দ বোস। এই মুহূর্তে তিনি দিল্লিতে রয়েছেন। সেখানেই পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর এই সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা।

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন কেরলের বাসিন্দা, প্রাক্তন আইএএস অফিসার সিভি আনন্দ বোস। খুব অল্পদিনের মধ্যেই তিনি বাংলাকে ভালোবেসে বাংলা ভাষা শিখতে আগ্রহী হন। পরের বছর সরস্বতী পুজোয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বাংলা বর্ণে হাতেখড়ি সম্পন্ন হয়। এরপর থেকে রীতিমতো বাংলা চর্চা করতেন আনন্দ বোস। প্রথমদিকে রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজভবনের সম্পর্ক আপাত মধুর থাকলেও ধীরে ধীরে খানিকটা তিক্ত হতে থাকে। রাজ্য প্রশাসনের একাধিক বিষয়ে নবান্নের সঙ্গে রাজ্যপালের মতানৈক্য হতে থাকে। বিশেষত রাজ্যের কোথাও কোনও হিংসার ঘটনা ঘটলে রাজ্যপাল হিসেবে আনন্দ বোসের নানা মন্তব্য মোটেই ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারেনি শাসক শিবির। ক্রমশই রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। কোনও কোনও বিলে রাজ্যপাল সময়মতো সই না করায় তা পাশ হওয়া সত্ত্বেও কার্যকর করা যায়নি। তা নিয়েও তৃণমূলের ক্ষোভ ছিল।

Advertisement

বছর খানেক আগে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের এক মহিলা কর্মী তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় থানায়। সেই মামলা এখনও তদন্তের আওতায়। সেসময় রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আশঙ্কাপ্রকাশ করে বলতে শোনা গিয়েছিল, ”রাজভবনে যেতে আতঙ্ক হয়। দরকারে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফাইল সই করাব। কিন্তু ভিতরে যাব না।” যদিও এদিন রাজ্যপালের ইস্তফার খবর পেয়ে স্তম্ভিত হয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনিও। হিসেবমতো ২০২৭ সালে নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর মেয়াদ ছিল। কিন্তু একবছর ৮ মাস আগেই দায়িত্ব থেকে সরলেন আনন্দ বোস।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.