Advertisement
Advertisement
PM Narendra Modi

ব্রিগেডে মোদির সভায় বড় ঘোষণার সম্ভাবনা, ভোটের আগে কোন চমক দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

বিধানসভা ভোটের আগে এই মুহূর্তে রাজ্যে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা চলছে। তা সমাপ্ত হবে ব্রিগেডে, মোদির সভার মাধ্যমে।

নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ২০:৩০

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
ব্রিগেডে মোদির সভায় বড় ঘোষণার সম্ভাবনা, ভোটের আগে কোন চমক দেবেন প্রধানমন্ত্রী? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী শনিবার, ১৪ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের জনসভা থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনও ঘোষণা করতে চলেছেন তিনি। দলীয় সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বা প্রতিশ্রুতি রাজনৈতিক মহলে চমক সৃষ্টি করতে পারে এবং আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী শনিবার, ১৪ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের জনসভা থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কোনও ঘোষণা করতে চলেছেন তিনি। দলীয় সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বা প্রতিশ্রুতি রাজনৈতিক মহলে চমক সৃষ্টি করতে পারে এবং আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, “প্রধানমন্ত্রী এমন একটি ঘোষণা করবেন, যা শুধু রাজনৈতিক নয়, প্রশাসনিক এবং উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে। সেই ঘোষণা অনেককেই চমকে দেবে।”

Advertisement

তবে মোদির সম্ভাব্য ‘চমক’ নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে রাজি নয় শাসকদল। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের এক সাংসদ বলেন, “বাংলার মানুষ খুব ভালো করেই জানে, ভোট এলেই মোদি-শাহ সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা পরিযায়ী পাখির মতো রাজ্যে আসেন এবং বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ভোট মিটলেই সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে যান।” এত বছর ধরে কেন্দ্রে ক্ষমতায় থেকেও বিজেপি বাংলার জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু করেনি অভিযোগ করে “বাংলার মানুষের জন্য যা করার, তা তৃণমূলই করবে। কারণ আগামী নির্বাচনে আমরাই আবার জিতে ক্ষমতায় ফিরব” বলেও দাবি করেছেন ওই তৃণমূল সাংসদ।

যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা আসে, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করবেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশাই বজায় রেখেছে বিজেপি নেতৃত্ব।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা আসে, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করবেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশাই বজায় রেখেছে বিজেপি নেতৃত্ব।

ইতিমধ্যেই রাজ্যে বিজেপির প্রচারে গতি আনতে একাধিক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনা হচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জনসভা থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা এবং যুবসমাজের জন্য চাকরি পাওয়ার বয়সসীমা বাড়িয়ে দেওয়ার আশ্বাস।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি রাজ্যের কর্মসংস্থান ও প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। সেই ধারাবাহিকতাতেই ব্রিগেডের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ঘোষণাকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.