৯ বার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমে প্রাপ্তি একমাত্র হার। এতদিন পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এবার জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ। বাংলা থেকে বিজেপির একমাত্র প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন রাহুল সিনহা (Rahul Sinha)। বৃহস্পতিবার তিনি বিধানসভায় এসেছিলেন নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে। কিন্তু এ কী কাণ্ড! মনোনয়নের ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে যে বারবার ভুল করে ফেলছেন গেরুয়া শিবিরের এতদিনের সৈনিক। এই বসন্তেও কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, লিখতে গিয়ে হাত কাঁপছে। যেন পরীক্ষার টেনশন! শেষমেশ অবশ্য সহকর্মীকে এহেন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারে এগিয়ে এলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। খুঁজে খুঁজে বের করা হল রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যর আগেকার ফর্ম। তা দেখে দেখেই নিজের ফর্ম পূরণ করলেন রাহুল সিনহা।

আরও পড়ুন:
রাহুল সিনহা শেষবার ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন। হাবড়া থেকে তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন। বিপুল ভোটে পরাজিত হন। তারপর থেকে সংগঠনের সাধারণ কাজকর্ম করতেন। এবারই প্রথম তাঁর সামনে বিনা লড়াইয়ে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ। তাই হয়ত আবেগ-আনন্দে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন রাহুল সিনহা। তাই ফর্মপূরণে এতবার এত ভুল! রাজ্যসভার প্রার্থীপদে মনোনয়ন যেন কঠিন পরীক্ষা। যদিও খুব বেশিক্ষণ এমন দিশেহারা দশায় হাবুডুবু খেতে হয়নি গেরুয়া প্রার্থীকে। শুভেন্দুর নির্দেশ মেনে তিনি শমীক ভট্টাচার্যর পূরণ করা আগেকার ফর্মটি দেখে দেখে নিজেরটি ফিলআপ করেন। আর তাই নির্দিষ্ট সময়ের খানিক পর মনোনয়ন জমা দেন রাহুল সিনহা। বলেন, ‘‘মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা বলব। তবে সেটার সুযোগ বেশিদিন পাব না। কারণ, ২ মাস পরে নির্বাচন হলে সরকার পরিবর্তন হবে, বিজেপি সরকারে আসবে। তখন আর মানুষের কষ্ট থাকবে না।”
মনোনয়নের ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে যে বারবার ভুল করে ফেলছেন গেরুয়া শিবিরের এতদিনের সৈনিক। এই বসন্তেও কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, লিখতে গিয়ে হাত কাঁপছে। যেন পরীক্ষার টেনশন! শেষমেশ অবশ্য সহকর্মীকে এহেন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারে এগিয়ে এলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। খুঁজে খুঁজে বের করা হল রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যর আগেকার ফর্ম। তা দেখে দেখেই নিজের ফর্ম পূরণ করলেন রাহুল সিনহা।
এনিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বক্তব্য, ‘‘বিজেপি চাইলে রাজ্যসভার মনোনয়নে আরও একজন প্রার্থী দিয়ে ক্রস ভোটিংয়ে যেতে পারতাম। কারণ তৃণমূল জানে ওদের অন্তত ৬০ জন বিধায়ক আমাদের ভোট দিত। হুমায়ুন কবীরও সেই তালিকায় থাকত। কিন্তু আমরা এসব করি না। ক্রস ভোটিং তৃণমূল করে। তাই তারা ভয়ে বাড়তি প্রার্থী দেয়নি। আমরা ৫ টি নাম পাঠিয়েছিলাম। তবে গুরুত্ব দিয়েই রাহুল সিনহার নাম পাঠিয়েছিলাম। মাঝে দু’দিন ছুটি থাকায় শুধু একটি কাগজপত্র দিতে দেরি হয়েছে। তবে সবই আমাদের প্রস্তুত ছিল।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
INDIA জোট ছাড়ল স্ট্যালিনের ডিএমকে, মমতার বৈঠকের আগেই ভাঙন বিরোধী শিবিরে
-
সোনা বিক্রি জল্পনার মধ্যেই রেপো রেট নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের, কী হবে আমজনতার?
-
‘ধর্মের কল বাতাসে নড়ে’, স্বরূপ গ্রেপ্তার হতেই ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ নিয়ে সরব ঋদ্ধি থেকে শ্রীলেখা
-
টিম ইন্ডিয়ায় ফিরলেন রুতুরাজ, কোহলির চোটে শিকে ছিঁড়ল পাতিদারেরও
-
সই কাণ্ডে এখনই স্বস্তি নয় অভিষেকের! হাই কোর্টে খারিজ দ্রুত শুনানির আবেদন