দলের আদি শিবিরকে সন্তুষ্ট রাখতেই দীর্ঘদিনের সৈনিক রাহুল সিনহাকে (Rahul Sinha) রাজ্যসভায় পাঠাল করল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। পাশাপাশি শমীক ভট্টাচার্যর দাবিকেও গুরুত্ব দিল দিল্লি। কারণ, একমাত্র শমীকই রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে তাঁর প্রথম পছন্দের নাম যে রাহুল সিনহা, তা দিল্লিকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। দলের পুরনো নেতা হিসাবে রাহুলকে সম্মান দেওয়া উচিত বলেই সওয়াল করেছিলেন শমীক। দলের আদি নেতা রাহুলকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত দিল্লি নেওয়ায় হতাশ বঙ্গ বিজেপির দলবদলুরা। কারণ, নব্য তথা দলবদলুদের তরফেও পছন্দের কয়েকটি নাম পাঠানো হয়েছিল দিল্লির কাছে। সেই তালিকায় উত্তরবঙ্গের এক বিজেপি নেতাও ছিলেন। তা অবশ্য গ্রহণ করেনি দিল্লি।
দলের আদি শিবিরকে সন্তুষ্ট রাখতেই দীর্ঘদিনের সৈনিক রাহুল সিনহাকে রাজ্যসভায় পাঠাল করল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। পাশাপাশি শমীক ভট্টাচার্যর দাবিকেও গুরুত্ব দিল দিল্লি। কারণ, একমাত্র শমীকই রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে তাঁর প্রথম পছন্দের নাম যে রাহুল সিনহা, তা দিল্লিকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। দলের পুরনো নেতা হিসাবে রাহুলকে সম্মান দেওয়া উচিত বলেই সওয়াল করেছিলেন শমীক। দলের আদি নেতা রাহুলকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত দিল্লি নেওয়ায় হতাশ বঙ্গ বিজেপির দলবদলুরা।
আরও পড়ুন:
শুধু তাই নয়, এবার নিজেদের পছন্দের কাউকে রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকেও বিরত থেকেছে দিল্লি। কারণ, দিল্লির পছন্দের থাকা অনন্ত মহারাজকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে এখন চরম অস্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব। তাই এবার দলের রাজ্য শাখার মতামতকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যসভার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে এবার ৯ জনের নাম নিয়ে বিবেচনা হচ্ছিল। শেষ যে ৯টি নাম দিল্লিতে গিয়েছিল তার মধ্যে রাহুল সিনহার নামও ছিল। যা সংবাদ প্রতিদিন-এর খবরে প্রকাশও হয়েছিল। শমীকই প্রস্তাব দিয়েছিলেন, রাহুলকে রাজ্যসভার প্রার্থী করার। আর শেষমেশ সেটাতেই সিলমোহর দিয়েছেন মোদি-শাহ-নীতীন নবীনরা।
উল্লেখ্য, এর আগে লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে একাধিকবার প্রার্থী করা হয়েছিল রাহুল সিনহাকে। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রে তিনি লড়েছিলেন। রাজ্যসভার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে এবার ৯ জনের নাম নিয়ে বিবেচনা হচ্ছিল। শেষ যে ৯টি নাম দিল্লিতে গিয়েছিল তার মধ্যে রাহুল সিনহার নামও ছিল। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জোড়াসাঁকো এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হাবড়া আসন থেকে তিনি লড়েছিলেন। প্রত্যেকবারই ওই আসনগুলি বিজেপির জন্য ‘সম্ভাবনাময়’ ছিল। কিন্তু রাহুল একবারও জিততে পারেননি। আর এবার বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, রাহুল সিনহা থেকে দিলীপ ঘোষরা বিজেপির এখন কোনও বড় দায়িত্বে নেই। রাহুল আগে কেন্দ্রীয় সম্পাদক হয়েছিলেন। আর দিলীপ হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি। বর্তমানে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর আমলে দিলীপকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দলে। আর পুরনো নেতা হিসাবে রাহুলকেও যোগ্য সম্মান দিয়ে রাজ্যসভার প্রার্থী করা হল। নব্য ও তৎকাল বিজেপিদের দাপটে ক্ষুব্ধ থাকা দলের আদি শিবিরকে সন্তুষ্ট করে বার্তা দিতেই পুরনোদের যে গুরুত্ব দিচ্ছেন শমীক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভোটের আগে দলের মধ্যে আদি-নব্য কোন্দল মেটাতে এটাই কৌশল বলে মনে করছে পদ্মশিবিরের একাংশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাস করছে তারা সবাই ‘বাঙালি’
-
‘নেতানিয়াহুকে জাহান্নামে পাঠাব’, নিষেধাজ্ঞায় আমেরিকার উপর হামলার হুমকি ইরানের
-
জলরোষে ২০ বছর আগে মৃত্যু ৫ যুবকের, বিধ্বস্ত নেপাল ফেরাল পুরুলিয়ার ডাউরি খালের স্মৃতি
-
পুজোয় টইটইয়ের প্ল্যান? কলকাতার কাছেপিঠেই রয়েছে অপরূপ বিস্ময়, রইল ৫ গন্তব্যের খোঁজ
-
একাধিক তথ্যে অসঙ্গতি! সরল প্রকাশক, ভারতে প্রকাশিত হবে না সোনিয়ার ‘স্মৃতিকথা’?