Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’কে সপাট জবাব শুভেন্দুর

এইট বি বাসস্ট্যান্ডের সামনে রাস্তার দু'ধারে জাতীয় পতাকা হাতে শামিল প্রচুর মানুষ।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৯:৫৩

link
গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৯:৫৩

options
link
যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’কে সপাট জবাব শুভেন্দুর zoom
২৮ আগস্ট, শুক্রবার। যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে 'বন্দে মাতরম' অনুষ্ঠানের বিশাল আয়োজন। নিজস্ব ছবি
Advertisement

১০ হাজার কণ্ঠে উচ্চারিত ‘বন্দে মাতরম’। ভারতমাতা বন্দনায় ঐক্য ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে এই আয়োজন। এমন দৃশ্য বোধহয় আগে কখনও দেখেনি যাদবপুর। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে যাদবপুর থানা পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে জাতীয় পতাকা হাতে শয়ে শয়ে মানুষ। বিজেপি, এবিভিপি ছাড়াও সাধারণ মানুষের হাতে হাতে তেরঙ্গা। তাঁরা সকলে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম’ অনুষ্ঠানে শামিল হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গলা মিলিয়ে গাইছেন জাতীয় স্তোত্রের ছ’টি স্তবক। বোঝা যাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari ) যেমন কথা তেমন কাজ। যাদবপুরে ছাত্র সংঘর্ষের পর তিনি বলেছিলেন, ‘‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ও বাইরে রাষ্ট্রবাদ প্রতিষ্ঠা করবই। সবাইকে বন্দে মাতরম গাইতে হবে।” শুক্রবার বিকেলের যাদবপুর তারই সত্যতা প্রতিফলিত হল।

২৮ আগস্ট, শুক্রবার। যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ অনুষ্ঠানের বিশাল আয়োজন। নিজস্ব ছবি

গত ১৯ ও ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নজিরবিহীন ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘিরে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, ‘‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বন্দে মাতরম গাইতে দেয় না। জাতীয় পতাকা ওড়ে না এখানে। কিন্তু আমরা যাদবপুরের ভিতরে ও বাইরে জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করবই। দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ, রাষ্ট্রবাদের সঙ্গে কোনও আপস নয়।” পরে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, রাখিবন্ধনের দিন যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হবে। আয়োজন করবে যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপি। সেই অনুযায়ী শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠানটি হয়। গোটা চত্বর মুড়ে ফেলা হয় নজিরবিহীন নিরাপত্তায়। এই জন্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুধুমাত্র ১ নং গেট দিয়ে যাতায়াত করা যাচ্ছে।

Advertisement
২৮ আগস্ট, শুক্রবার। যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ডে ১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরন অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের জমায়েত, ছবি: কৌশিক দত্ত

মূল অনুষ্ঠানস্থল অর্থাৎ এইটবি বাসস্ট্যান্ডের সামনের রাস্তায় বিশাল এলইডি স্ক্রিন লাগানো। তাতে লেখা, ‘ভারতমাতার ঐক্য-দেশপ্রেম-গর্ব। ১০ হাজার কণ্ঠে উচ্চারিত হবে বন্দে মাতরম।’ সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে গোটা ‘বন্দে মাতরম’ গাইবেন। বাকিরাও যাতে তা গাইতে পারেন, তার জন্য প্রত্যেকের হাতে হিন্দি ও ইংরাজিতে ‘বন্দে মাতরম’ গানটির কথা লেখা কাগজ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.