রাজ্যসভা নির্বাচনে (Rajya Sabha Election) মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় তৃণমূলের প্রাথীরা। এই প্রথমবার বিধানসভায় পা রাখলেন টলিকুইন কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। স্বামীর সঙ্গে বিধানসভার ভিতরে প্রবেশের সময় বললেন, “দায়িত্ব পালন করব। মানুষের জন্য কাজ করব।” তবে এদিন ১১ টায় সকলের আসার কথা থাকলেও বেশ কিছুটা আগেই পৌঁছে যান রাজীব কুমার। বেশ কিছুক্ষণ একাই বসে ছিলেন পরিষদীয় দপ্তরের সচিবালয়ে। সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তবে বাবুল সুপ্রিয় পৌঁছেছেন সময় পেরনোর বেশ কিছুটা পরে।

আরও পড়ুন:
মাদার টেরিসার উক্তি টেনে রাজীব কুমার বলেন, “আমি জানি ভগবান আমাকে এমন কোনও দায়িত্ব দেবে না যা আমি পালন করতে পারব না।” কোয়েল মল্লিক বলেন, “একটা নতুন যাত্রা। সবার ভালোবাসা, আশীর্বাদ পেলে যাত্রা সফল হবে। এটা একটা অনেক বড় দায়িত্ব। আমি জানি আমি দায়িত্ব নিয়েছি যখন, সফল হব।”
দিন কয়েক আগেই রাজ্যসভার চারটি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছিল তৃণমূল। আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় যান চার প্রার্থীই। ঘড়ির কাঁটায় ১০ টা বেজে ৪৪ মিনিট নাগাদ পৌঁছন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের বেশকিছুক্ষণ আগেই যান তিনি। পরিষদীয় দপ্তরের সচিবালয়ে অপেক্ষা করেন তিনি। সেখানেই নতুন দায়িত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাদার টেরিসার উক্তি টেনে বলেন, “আমি জানি ভগবান আমাকে এমন কোনও দায়িত্ব দেবে না যা আমি পালন করতে পারব না।” এরপর স্বামী নিসপাল সিংয়ের সঙ্গে বিধানসভায় পৌঁছন কোয়েল মল্লিক। তিনি বলেন, “একটা নতুন যাত্রা। সবার ভালোবাসা, আশীর্বাদ পেলে যাত্রা সফল হবে। এটা একটা অনেক বড় দায়িত্ব। আমি জানি আমি দায়িত্ব নিয়েছি যখন, সফল হব।” মেনকা গুরুস্বামী বললেন, “আমি গর্বিত, সম্মানিত।”

এদিন মনোনয়ন পেশ করতে বিধানসভায় গিয়েছেন বিজেপির প্রার্থী রাহুল সিনহাও। বাংলার ৫ আসনের মধ্যে একটি বিজেপির। সেই আসনে প্রার্থী হয়েছেন রাহুল। বঙ্গের গেরুয়া ব্রিগেডের অন্যতম পুরনো নেতা তিনি। সেই আটের দশকে গেরুয়া রাজনীতিতে পা রাখার পর এখনও দলের কাজ করে চলেছেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে আরএসএস অর্থাৎ সংঘের হাত ধরে পদ্মশিবিরে পদার্পণ। সেই থেকে আজ পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে গিয়েছেন শুধু দলের জন্য। রাজ্য এবং জাতীয় স্তরে যোগাযোগ বেশ ভালো। ২০০৯ থেকে ২০১৫, এই ছ’বছর তিনি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। শেষবার ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে হাবড়া থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই ভোটে পরাজয়ের পর থেকে অবশ্য কোনও স্থায়ী পদ নেই রাহুল সিনহার। এবার ফের তাঁকে দিল্লির রাজনীতিতে এগিয়ে দিল দল। আগামী ১৬ মার্চের ভোটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন তিনি। একইভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির চার প্রার্থীও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়