West Bengal Budget

নজরে সেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ক্ষমতায় এলে কে কত টাকা দেবেন? তরজায় শুভেন্দু-হুমায়ুন-নওশাদ

বৃহস্পতিবার, রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পে ৫০০ টাকা করে ভাতাবৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরই বিষয়টি নিয়ে তুঙ্গে আলোচনা।

Advertisement
রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ১৭:৩৯

options
link
নজরে সেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ক্ষমতায় এলে কে কত টাকা দেবেন? তরজায় শুভেন্দু-হুমায়ুন-নওশাদ
'লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার'-এর ভাতাবৃদ্ধিতে তরজায় বিরোধীরা।

প্রতি মাসে বাড়ির মহিলাদের হাতে কড়কড়ে ১০০০ টাকা তুলে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। আগামী মাস থেকে সেই অর্থই বেড়ে দাঁড়াবে ১৫০০। তফসিলি জাতি-উপজাতিভুক্ত মহিলাদের জন্য এই অর্থ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৭০০ টাকা। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মহিলাদের স্বনির্ভর করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের এই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প কার্যত মাস্টারস্ট্রোক। যদিও এনিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ কম নেই। কেউ বলেন, ভোট টানতে ১০০০ টাকা ভিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, কারও মন্তব্য, এভাবে ভাতার ‘রাজনীতি’ করে রাজ্যের আসল কাজে ঢিলেমি চলছে। যে যাই বলুন, বঙ্গনারীদের কাছে কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এই প্রকল্প। বৃহস্পতিবার, রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে ভাতাবৃদ্ধির প্রস্তাবের পর দেখা গেল, বিরোধীদেরও নজরে এই প্রকল্পই। ক্ষমতায় এলে কে কত টাকা দেবেন, সেই অঙ্ক নিয়ে ইতিমধ্যে হিসেবনিকেশ শুরু হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

অন্তর্বর্তী বাজেটে অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ঘোষণা অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি থেকেই প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ১৫০০ টাকা, তফসিলি জাতি-উপজাতিভুক্ত মহিলাদের জন্য এই অর্থ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৭০০ টাকা। আগে যা ছিল যথাক্রমে ১০০০ ও ১২০০ টাকা। সেটাই এবার থেকে ৫০০ টাকা করে বাড়িয়ে দেওয়া হল রাজ্য সরকারের তরফে। ভোটের আগে এই ঘোষণায় যাঁরা রাজনীতি খুঁজছেন, তাঁদের যাবতীয় নিন্দা, কটাক্ষ ফুৎকারেই উড়িয়ে দিচ্ছে বাংলার মহিলা মহল। আর্থিকভাবে আরও শক্ত মাটির উপর দাঁড়াতে পারবেন, এই ভেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন সকলে। আর এই পরিস্থিতিতে বিরোধীদেরও নজরে এই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ঘোষণা অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি থেকেই প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ১৫০০ টাকা, তফসিলি জাতি-উপজাতিভুক্ত মহিলাদের জন্য এই অর্থ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৭০০ টাকা। আগে যা ছিল যথাক্রমে ১০০০ ও ১২০০ টাকা।

বাজেট শেষের পর এই জনপ্রিয় প্রকল্পের অঙ্ক নিয়ে তরজা শুরু হয়েছে বিজেপি, আইএসএফ। এখন এতে যোগ দিয়েছে সদ্য তৈরি নয়া রাজনৈতিক দল হুমায়ুন কবীরের জনতা উন্নয়ন পার্টি। হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, ‘‘ক্ষমতায় এলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে মহিলাদের মাসে ৩০০০ টাকা এবং আবাস যোজনায় ২ লক্ষ টাকা দেব।” বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আরও বেশি টাকা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। আগেই অবশ্য বিজেপির তরফে সুকান্ত মজুমদার ঘোষণা করেছিলেন, তাঁরা ক্ষমতায় এলে মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে দেবেন। এদিন শুভেন্দুও সেই ইঙ্গিতই দিলেন। একমাত্র আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি অবশ্য দান-খয়রাতির ব্যাপারে আরও একধাপ এগিয়ে! তাঁর মন্তব্য, ‘‘আমি ৫০০০ টাকার পক্ষে।” তাঁদের এসব মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, বাইরে যে যাই বলুন, ভোট জিততে ‘লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার’-এর বিকল্প যে নেই, তা মানতে বাধ্য সকলে।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.